করোনাকালে দেশে ফেরা ৪৭ শতাংশ প্রবাসীই বেকার

৩০ এপ্রিল ২০২১, ০৯:৫০ PM
দেশে ফিরছেন প্রবাসীরা

দেশে ফিরছেন প্রবাসীরা © সংগৃহীত

করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের ৪৭ শতাংশই এখনো আয়ের জন্য কোনো কাজে যুক্ত হতে পারেননি। একইসঙ্গে বিদেশফেরতদের ৯৮ শতাংশই তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ‘বিদেশফেরতদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি অন্বেষণ এবং বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

আজ শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) অনলাইনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম বলছে, দেশে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের অনেকেই দৈনন্দিন খরচ চালাতে পরিবারের আয় বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করছেন। অন্যদিকে ৫৩ শতাংশ কর্মী কৃষিকাজ, ছোটখাটো ব্যবসা বা শ্রমিক হিসেবে নিজেকে যুক্ত করে বর্তমানে পরিবার চালাচ্ছেন।

ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান জানান, বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত বছরের মার্চ-এপ্রিলে ফেরত আসা প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে সে বছরের ২২ মে একটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল ব্র্যাক। এক বছর পর পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়েছে, তা জানতেই ফের জরিপ করা হয়।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, গতবছর বিদেশফেরতদের ৮৭ শতাংশ বলেছিলেন, তাদের কোনো আয়ের উৎস নেই। এবার দেখা গেছে, উত্তরদাতাদের প্রায় ৫৩ শতাংশ (৫২ দশমিক ৭৭ শতাংশ) কোনো না কোনো কাজে নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছেন।

এর মধ্যে ২৪ দশমিক ১৯ শতাংশ কৃষি কাজে যুক্ত হয়েছেন, ২২ দশমিক ৩৩ শতাংশ দিনমজুরি বা এ ধরনের কোনো কাজে যুক্ত হয়েছেন এবং ৩৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছোট কোনো ব্যবসা শুরু করেছেন। এছাড়া ১৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ অন্য কোনো না কোনো কাজ করছেন।

তবে উত্তরদাতাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ (৪৭ দশমিক ২২ শতাংশ) বিদেশফেরতই গত এক বছরেও কোনো প্রকার কাজ যোগাড় করতে পারেননি। তারা তাদের দৈনন্দিন খরচ চালাতে পরিবারের আয় বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার দেনার ওপর নির্ভর করছেন।

উত্তরদাতাদের ২৮ শতাংশ বলেছেন, তারা ইতোমধ্যে ধারদেনায় জর্জরিত হয়েছেন। ৭২ শতাংশ বলেছেন, তারা আবারও বিদেশে চলে যেতে চান।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানিয়েছে, প্রতিবেদনে প্রবাসীদের বর্তমান মানসিক অবস্থাও উঠে এসেছে। গতবছর অংশগ্রহণকারীদের ৭৪ শতাংশ জানিয়েছিলেন, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রচণ্ড দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও ভীতির মধ্যে রয়েছেন। কিন্তু এবার ৯৮ শতাংশ উত্তরদাতাই বলেছেন, অপর্যাপ্ত আয়, বেকারত্ব, পুনরায় বিদেশ যেতে না পারা, পারিবারিক চাপ ইত্যাদির কারণে চরম উদ্বিগ্নতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে আছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্বের ‘বিদায়ী’ সাক…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
বসুন্ধরা আবাসিকের ফ্ল্যাট থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ তালিকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নাম, …
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে: রাকিব
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
ফোন না ধরায় শিক্ষিকাকে চড়-থাপ্পড়, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বর…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
এক বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট কাটবে,…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬