১৭ মার্চের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবি ৪৩ বিসিএসে বাদ পড়া ক্যাডারদের

১৬ মার্চ ২০২৫, ০৪:১৬ PM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৫, ১১:১৯ AM
সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ সম্মেলন © টিডিসি ফটো

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৪৩তম গেজেট থেকে বাদ পড়া ২২৭ জনকে চলতি মাসের ১৭ মার্চের মধ্যে পুনরায় গেজেটভুক্ত ও যোগদান নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বাদ পড়া ক্যাডাররা। আজ রবিবার (১৬ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। 

এসময় তারা বলেন, যে বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছিল, সেই বাংলাদেশে আজ ২২৭টি পরিবারের সাথে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, সরকার আমাদের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সম্মান জানাবেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। এটি আমাদের ন্যায্য অধিকার, এটি আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন, এটি আমাদের আত্মসম্মানের প্রশ্ন।

সম্মেলনে বঞ্চিতরা বলেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের লক্ষ্যে শতভাগ কোটামুক্ত ৪৩তম বিসিএস পরীক্ষায় দীর্ঘ চার বছর ধরে নিজের মেধা, যোগ্যতা, পরিশ্রম, মা বাবার আজীবনের ত্যাগ এবং শিক্ষক-আপনজনদের অশেষ আশীর্বাদে আমরা ২১৬৩জন বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশনের মাধ্যমে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের স্বপ্ন দেখেছিলাম। দীর্ঘ দশ মাস ধরে দুই ধাপে পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর ২০২৪ এর ১৭ নভেম্বর যোগদানের তারিখ নির্ধারণ করে ১৫ অক্টোবর আমাদের বহুল কাঙ্খিত গেজেট প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ২৮ অক্টোবর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমাদের যোগদান পিছিয়ে ১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রি. নির্ধারণ করা হয়। আমরা এটিকে নিয়তির অংশ হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। এরই মধ্যে যোগদানের প্রস্তুতি হিসেবে আমাদের সহকর্মীদের মধ্যে অনেকেই পূর্বের চাকুরী থেকে ইস্তফা দেন। কিন্তু কে জানতো, আমাদের জন্য আরও বড় আঘাত অপেক্ষা করছিল। ৩০ ডিসেম্বর যোগদানের একদিন পূর্বে প্রকাশিত নতুন গেজেটে আমাদের ২২৭ জনের নিয়োগ স্থগিত করে গেজেট প্রকাশ করা হয় যা আমাদের জীবনকে এক অনিশ্চয়তার অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে।

তারা আরও বলেন, বিসিএস এর ইতিহাসে একবার গেজেট প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ স্থগিত করার উদাহরণ আর দ্বিতীয়টি নেই। আমাদের ২২৭ জন সুপারিশপ্রাপ্ত অফিসারবৃন্দের নিয়োগ স্থগিত করে ৩০ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশিত হলে ৩১ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সামনে আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করে আমাদেরকে ২য় গেজেট থেকে বাদ দেওয়ার যৌক্তিক কারণ জানতে চাই। তার প্রেক্ষিতে ২ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমাদের কাছে পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে। এর প্রেক্ষিতে আমরা সকলেই সেই সুযোগ গ্রহণ করি এবং সুবিচারের আশায় অপেক্ষা করতে থাকি। এরপর, ৯ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব স্যার উপস্থিত সকল মিডিয়ার সামনে স্পার ভাষায় জানান যে, যদি কারও বিরুদ্ধে তিনটি গুরুতর অভিযোগ- ১. ফৌজদারি অপরাধ, ২. রাষ্ট্রদ্রোহিতা, এবং ৩. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কারাদেশ না থাকে, তবে তারা যোগদান করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার সাথে যেহেতু আরো দুটি অফিস অর্থাৎ প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির দপ্তর জড়িত, নতুন গেজেট প্রকাশিত হতে দুই থেকে তিন কর্মদিবস প্রয়োজন হতে পারে

বক্তারা বলেন, আজ দুই মাস পেরিয়ে গেলেও সেই গেজেট আলোর মুখ দেখেনি। আমরা এখনো অন্ধকারে, অনিশ্চয়তার অতল গহ্বরে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবন বিপন্ন, জীবন যেন থমকে গেছে সেই ৩০ ডিসেম্বরে। ২৮-৪২তম বিসিএস পর্যন্ত ১৫ বছর ধরে গেজেট বঞ্চিত ২৫৯ জনের সকলকে অন্তর্বর্তী সরকার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিয়োগ প্রদান করেছেন যা বৈষম্যহীন বাংলাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কিন্তু একই সময়ে, ৪৩তম বিসিএস থেকে ২২৭ জনকে বাদ দেয়া স্পষ্টত পূর্বের বৈষম্যেরই ধারাবাহিকতা। এই বৈষম্য শুধু ২২৭জনের পরিবারের প্রতি অন্যায়ই নয়-নতুন বাংলাদেশের জন্য এটি এক লজ্জাজনক অধ্যায়।

কুমিল্লায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চট্টগ্রামগামী বাস উল্টে নিহত ২, …
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
সারা দেশে ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই কলিং সেবা চালু করল বাংলালিংক
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে সরকারি টেলিভিশন ভবনে অগ্নিকাণ্ড
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহীর ফোন জব্দ
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানে রাস্তায় নেমেছে হাজার হাজার মানুষ
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবারও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা…
  • ০৯ জানুয়ারি ২০২৬