৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশপ্রাপ্তকে নিয়োগ না দিয়ে অব্যাহতি নেওয়া শিক্ষককে পুনঃনিয়োগের চেষ্টা

০৯ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২১ PM
চট্টগ্রাম নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা

চট্টগ্রাম নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা © ফাইল ফটো

৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে গ্রন্থাগার প্রভাষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পেয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ নামের এক প্রার্থী। জাতীয় মেধাতালিকায় গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ে ৪৩তম স্থান পাওয়া বরকত উল্লাহর অভিযোগ, চট্টগ্রাম নেছারিয়া কামিল (এম.এ) মাদ্রাসা তার নিয়োগ কার্যক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করছে এবং তার পদে ২০০৬ সালে অব্যাহতি পাওয়া সহকারী গ্রন্থাগারিককে পুনঃনিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রফিক উদ্দীন।

বুধবার এ বিষয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান এবং মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বরকত উল্লাহ এনটিআরসিএ-এর ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির আওতায় চট্টগ্রাম নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসায় গ্রন্থাগার প্রভাষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। গত ২১ আগস্ট তিনি মাদ্রাসায় যোগদানের আবেদন জমা দেন। কিন্তু ১৬ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রফিক উদ্দীন আদালতের একটি আদেশ দেখিয়ে তাকে নিয়োগপত্র না দিয়ে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখে। জানা যায়, আদালতের সেই আদেশ এসেছে মোহাম্মদ আলী আজগর নামে এক ব্যক্তির আবেদনের পর, যিনি ২০০৬ সালে ওই মাদ্রাসা থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, আলী আজগর ছিলেন সহকারী গ্রন্থাগারিক, যার পদ ছিল ১৯৯৫ সালের জনবল কাঠামোর অধীন। কিন্তু এনটিআরসিএ’র সুপারিশ অনুযায়ী যে গ্রন্থাগার প্রভাষক পদে বরকত উল্লাহ সুপারিশ পেয়েছেন, সেটি ২০১৮ সালের জনবল কাঠামোতে প্রথম সৃজিত হয় এবং ২০২১ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এটি শিক্ষক মর্যাদার একটি পদ। ফলে দুইটি পদ এক নয় এবং আদালতের মামলার রায় তার সুপারিশ পাওয়া পদের সঙ্গে সম্পর্কিত না হলেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে বরকত উল্লাহ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ২০০৬ সালে আলী আজগর মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে তার শূন্য পদে নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হয়। এরপর ২০২১ সালে আলী আজগর আদালতে মামলা দায়ের করেন এবং দাবি করেন, তিনি কখনো মাদ্রাসা ছাড়েননি এবং বিনা বেতনে ১৫ বছর কাজ করে গেছেন। এই মামলার একতরফা রায়ের ভিত্তিতেই আদালত সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এর পেছনে সহকারী শিক্ষক আলী আজগরের বকেয়ার বিষয় জড়িত রয়েছে। আমাকে নিয়োগ দেওয়া হলে আলী আজগর কোনো বকেয়া পাবেন না। ফলে অধ্যক্ষ মোটা অঙ্কের কমিশনও পাবেন না।

বরকত উল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানত যে পদটি নিয়ে মামলা চলমান, তবুও এনটিআরসিএ’র কাছে ই-রিকুইজিশনে পদের চাহিদা দেয় এবং পরে তা সংশোধনের সুযোগ পেলেও পদটি বাতিল করেনি। যার ফলে তিনি সুপারিশপ্রাপ্ত হন। অথচ এখন সেই পদের নিয়োগ থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে পরিকল্পিত হয়রানি হিসেবে দেখছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম নেছারিয়া কামিল (এম.এ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রফিক উদ্দীন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আদালত ওই পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন। সেজন্য আমরা বরকত উল্লাহকে নিয়োগ দিতে পারিনি। বিষয়টি এনটিআরসিএকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনটিআরসিএ বরকত উল্লাহকে প্রতিস্থাপন করবে।

আদালতে মামলা করেছেন সহকারী গ্রন্থাগারিক পদের ব্যক্তি। বরকত উল্লাহ সুপারিশ পেয়েছেন প্রভাষক গ্রন্থাগার হিসেবে। দুটি পদের মধ্যে সামঞ্জস্যতা না থাকলেও কেন নিয়োগ দেওয়া হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

ইউসেপ বাংলাদেশে চাকরি, পদ ১৬, আবেদন শেষ ২৮ মার্চ
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
রিলেশনশিপ অফিসার নিয়োগ দেবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স, আবেদন শেষ …
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
গঙ্গায় ইফতার, মাংসের হাড় ফেলার অভিযোগে ১৪ জন গ্রেপ্তার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
জনবল নিয়োগ দেবে সীমান্ত ব্যাংক, কর্মস্থল ঢাকা
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
নোয়াখালীতে দেড়শ সুবিধাবঞ্চিত পরিবারে বারাকাহ ঈদ সামগ্রী বিত…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence