চার নেতার নাম জানে না শিক্ষার্থীরা, অজানা প্রথম প্রধানমন্ত্রীও

০৩ এপ্রিল ২০২২, ১০:০০ PM
প্রতীকী

প্রতীকী © সংগৃহীত

অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১০৫ জন শিক্ষার্থীর কেউই জাতীয় চার নেতার নাম জানে না। তাদের কাছে অজানা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য। শুধু তাই নয়, তারা জানে না মুক্তিযুদ্ধে কতজন শহীদ হয়েছেন। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নাম ও বলতে পারেননি কোন শিক্ষার্থী।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) মিলনায়তনে শনিবার (০২ এপ্রিল) আয়োজিত ‘বিজয়ের ৫০ বছর : পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধ-বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে উপস্থাপন করা গবেষণাপত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণাটি ২০১৯ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে টঙ্গী এলাকার সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা হয়। এতে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ১০৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ২০টি প্রশ্নের মধ্যে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জবাব দেওয়া ১৫টি প্রশ্নের ক্ষেত্রে ভুল উত্তরের হার বেশি। শিক্ষার্থীরা শহীদ বলতে শুধু সালাম, রফিক, জব্বার ও বরকতকেই বোঝে। প্রথম সরকার সম্পর্কে কিছুই বলতে পারে না। স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পর্কে কিছুই জানে না তারা।

আরও পড়ুন: বাড়ছে বিসিএস প্রীতি, বদলে যাচ্ছে পেশা

জাতীয় চার নেতার নাম বলো, এর জবাবে শতভাগ শিক্ষার্থী ভুল উত্তর দিয়েছে। পৃথক উত্তরে তারা বলে, বঙ্গবন্ধু, জিয়াউর রহমান, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া ও এইচ এম এরশাদ জাতীয় চার নেতা। ৩ নভেম্বর সম্পর্কেও শতভাগ শিক্ষার্থী ভুল উত্তর দিয়েছে। ৫৭ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তরে বলে, মুক্তিবাহিনী, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল।

স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনারের মধ্যে পার্থক্য কী—এমন প্রশ্নেও শতভাগ শিক্ষার্থী ভুল উত্তর দিয়েছে। ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তর দেয়, খন্দকার মোশতাক ছিলেন প্রথম শহীদ, সেক্টর কমান্ডার, কবি ও ভাষাসৈনিক। একজন সেক্টর কমান্ডারের নাম জানতে চাইলে ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী নাম বলতে পারেনি।

গবেষণা প্রবন্ধ উত্থাপন শেষ হলে আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, এই জরিপের ফল আমাকে খুবই আতঙ্কিত করেছে। হয়তো এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম। তবু বলব, একজন শিক্ষার্থীও কেন এমন জবাব দেবে? এ জন্য আমি শিক্ষার্থীদের দোষ দেব না। এই দোষ আমাদের। আমরা বাচ্চাদের ঠিকমতো শেখাতে পারিনি।

সেমিনারে বিলিয়ার পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ছোটবেলায় ছেলেমেয়েরা কী জ্ঞান পাচ্ছে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকে পাঠ্য বইতে শিক্ষার্থীরা যা পড়ছে, সে বিশ্বাসটা তাদের মধ্যে থাকবে। তাই পাঠ্য বইতে আমরা তাদের কীভাবে সে ইতিহাস জানাচ্ছি এটাও গুরুত্বপূর্ণ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী বলেন, বই থেকে অনেক বিখ্যাত সাহিত্য বাদ দেওয়া হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বাদ যায়। ওড়না বিতর্কের কথা নিশ্চয় মনে আছে। পাঠ্য বইয়ে সাম্প্রদায়িক জিনিস ঢুকে যাচ্ছে। পুস্তক তৈরির প্রক্রিয়ার মধ্যে ভুল আছে। আমরা আমাদের সন্তানদের ভালো-মন্দ শেখার সুযোগ দিচ্ছি না।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের হত্যাকাণ্ডে প্রতিটি মামলার সুষ্ঠু বিচা…
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
ঢাবির মুসা খান মসজিদ সংস্কারে অনুদান দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে আরমানের প্রশ্ন, প্…
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
ছেলে সহজকে লেখা চিঠি পড়ে কাঁদছেন ভক্তরা, কী লিখেছিলেন রাহুল
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
সংবিধান মানলে প্রধানমন্ত্রী অন্য দেশে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ…
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
পলিটেকনিকের চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স তিন বছর করার চিন্তা
  • ৩০ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence