খন্দকার এনামুল করিম শহীদ © ফাইল ছবি
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম আহবায়ক ও প্রথম সভাপতি অধ্যক্ষ খন্দকার এনামুল করিম শহীদ বুধবার রাত ১০টায় রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল। বুধবার টাঙ্গাইলে গ্রামের বাড়িতে তাকে দাফন করা হয়েছে।
মরহুম এনামুল করিম ভাসানী ন্যাপের ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রদল থেকে ছাত্রদলে পা রাখেন। ১৯৭৯ সালের ১ জানুয়ারি কাজী আসাদকে আহ্বায়ক করে জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল গঠন করা হয়। সেই কমিটিতে তিনি ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক। প্রতিষ্ঠার বছরই আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে এনামুল করিম শহীদকে সভাপতি এবং আকম গোলাম হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
টাঙ্গাইলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন এনামুল করিম শহীদ। স্ত্রী ও তিন ছেলে রেখে গেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার এক শোক বার্তায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মতো এতো বৃহৎ সংগঠনের প্রথম সভাপতি হিসেবে অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্যদিয়ে সংগঠনকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সংগঠনটির দেশব্যাপী বিস্তারে তার অবদান অনস্বীকার্য। তার মৃত্যুসংবাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর জন্য কষ্টের। তার মৃত্যু বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির জন্য এক অভাবনীয় ক্ষতি। এই ক্ষতি, এই অনুপস্থিতি, এই মৃত্যু কোনদিন পূরণ হবার না।
তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকবিহ্বল পরিবারবর্গ ও আত্মীয় স্বজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।