স্কুল খুলে দিলে সংক্রমণের হার বাড়তে পারে

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১০:৩৫ AM

© ফাইল ফটো

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তে শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সাধারণ মতামত দিলেও তারা মনে করেন, ‘স্কুল খুলে দিলে সংক্রমণের হার বেড়ে যেতে পারে’। মঙ্গলবার এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ আয়োজিত “অবশেষে স্কুল খুলছে: আমরা কতখানি প্রস্তুত?” শীর্ষক সংলাপে প্রকাশিত অনলাইন জরিপে এসব তথ্য উঠে আসে।

জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সংলাপ ও যোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক অভ্র ভট্টাচার্য।

এক হাজার ৯৬০ জনের অংশগ্রহণে এ অনলাইন জরিপের ফলাফলে উঠে আসে, ৫৪ দশমিক সাত শতাংশ অভিভাবক তাদের সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে নিরাপদ বোধ করছেন না। অন্যদিকে, ৬৮ শতাংশ শিক্ষক স্কুলে যেতে নিরাপদ বোধ করছেন বলে মতামত দেন। ৬৭ শতাংশ অভিভাবক সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত ফি দিতে আগ্রহী নন এবং ৬৮ দশমিক আট শতাংশ শিক্ষক অতিরিক্ত ব্যয়ভার বহনে সরকারি অনুদানের কথা উল্লেখ করেন।

৫০ দশমিক সাত শতাংশ অভিভাবক মনে করেন, তাদের সন্তানের স্কুল, স্বাস্থ্য-নির্দেশিকা মেনে চলতে সক্ষম না, যদিও ৬৮ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন তাদের স্কুলের স্বাস্থ্য-নির্দেশিকা নিশ্চিত করার সামর্থ্য রয়েছে। জরিপে অংশগ্রহণকারী অন্যান্যদের মধ্যে ৬০ দশমিক পাঁচ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন স্কুল খোলা উচিত, যদিও ৫২ দশমকি দুই শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন এতে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, স্কুল খোলার পরিস্থিতি নিয়ে একটি মিশ্র চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মূল কারণ হিসেবে তিনি মনে করেন স্কুল খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবার প্রস্তুতি সমান নয়। স্কুল বন্ধ থাকায় তথ্যপ্রযুক্তির অভিগম্যতায় বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের প্রস্তুতিতে পার্থক্যের পাশাপাশি শহর ও গ্রামের স্কুলের মধ্যেও পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার ওপরেও জোর দেন তিনি। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সরকারি পর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাড়ানোর পরামর্শ দেন ড. দেবপ্রিয়।

বিশেষ অতিথি গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু স্কুলে নয় বরং সামগ্রিকভাবে শিক্ষা প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনতে হবে এবং এক্ষেত্রে সরকার, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি খাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।

শান্তকে নিয়ে আশাবাদী বিসিবি
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আরও এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের উদ্যোগ
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রশিক্ষণে চেয়ারম্যানস ও ডিজিস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১০ শিক্ষক
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পিরোজপুর পৌরসভা কার্যালয়ে নতুন বেতন স্কেলে বিভিন্ন পদে চাকর…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বিভাগের ৪৮ শিক্ষ…
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাটনফোন যুগের ট্রেন্ড, যেভাবে যুক্ত হবেন আপনিও
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬