ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বঙ্গোপসাগরে উত্তর –পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসহ নোয়াখালী ও ফেনীতে আবারো বিপদসংকেত বাড়ানো হয়েছে। আগের ৭ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে এরই মধ্যে তার পরিবর্তে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এর আগে সকাল ৬টার বুলেটিনে আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এই দুইটি বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলে। এর পর তা বাড়িয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়। সকাল ১০টার একটু আগে তা বাড়িয়ে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত করা হয়।
মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বহাল রয়েছে।
সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোও এই ১০ নম্বর মহাবিপৎসংকেতের আওতায় থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়।
বুধবার (২০ মে) সকাল ৬টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।