একাদশ জাতীয় সংসদের সপ্তম অধিবেশন বসবে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল ৫টায়। করোনাভাইরাসের কারণে এই অধিবেশনের মেয়াদ অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হতে পারে বলে সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া সংসদ সদস্যদের অধিবেশন কক্ষে বসার সময় শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হবে।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, সংসদে জনসমাগম এড়াতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি যাতে কম হয় তা নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজন নেই এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসতে নিরুৎসাহিত করা হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এখন ঢাকায় আছেন এবং বয়সে তরুণ এমন এমপিদেরই শুধু সংসদে যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হবে। সংসদে প্রবেশের সময় এমপিদের তাপমাত্রা মাপা হবে।
সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের সময়সীমা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সব সংসদ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঢাকায় অবস্থানরত মন্ত্রী-এমপি এবং কাছাকাছি আসনের সংসদ সদস্যদের আসার জন্য বলা হয়েছে। কোরাম সংকট পূরণে তালিকা করে ৭০-৮০ জন এমপিকেও আসার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য একাধিক হুইপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এমপিদের বসার ক্ষেত্রে দুই-তিন আসন ফাঁকা রেখে আসন বিন্যাসের পরিকল্পনা চলছে। এ ক্ষেত্রে বয়স্ক ও শারীরিক অসুস্থ এমপিদের এই অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হবে।
করোনাভাইরাসের এই মহাদুর্যোগেও সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে সংসদের সপ্তম অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে আবার বসার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সর্বশেষ ষষ্ঠ অধিবেশন শেষ হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসাবে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সংসদের অধিবেশন শুরুর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।