তরুণদের দলে যোগ নয়, একসঙ্গে কাজ করার আলোচনা হয়েছে: রাশেদ

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন
গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন  © সম্পাদিত

তরুণদের নতুন দলে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের যোগদানের বিষয়ে নয়, একসঙ্গে কাজ করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেছেন।

নুরুল হকের যোগদান কিংবা নতুন দলের সঙ্গে গণ অধিকার পরিষদের জোটবদ্ধ হওয়া বা আরো কয়েকটি দল নিয়ে একটি দল গঠন করা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস। এ বিষয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, ওদের (জাতীয় নাগরিক কমিটি) সঙ্গে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে, একসঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে তারা আমাদের সঙ্গে আন্দোলন করেছে, ডাকসু নির্বাচন করেছে। এখন দল গঠন করছে। সেক্ষেত্রে একসঙ্গে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

একটি দল নয়, আরো অনেক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এটি যোগদানের বিষয় না। হ্যাঁ, তবে সবাই মিলে একটা বড় পার্টি করার আলোচনা ছিল। অনানুষ্ঠানিক আলোচনা, আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তাদের সঙ্গে যোগদান করার চিন্তা নেই। -মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন, সাধারণ সম্পাদক, গণ অধিকার পরিষদ।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, একটি দল নয়, আরো অনেক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এটি যোগদানের বিষয় না। হ্যাঁ, তবে সবাই মিলে একটা বড় পার্টি করার আলোচনা ছিল। অনানুষ্ঠানিক আলোচনা, আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তাদের সঙ্গে যোগদান করার চিন্তা নেই। 

এর আগে নুরুল হক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেছেন, তারাও চেয়েছে, আমরাও চেয়েছি; যারা সাত-আট বছরে দেশের রাজনীতিতে আলোচিত তরুণ নেতারা আছেন- সবাই এক হলে একটা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত হবে। সে জায়গা থেকে আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি।

নুরুল হক বলেন, ন্যূনতম বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে আমরা একমত হয়েছি যে, কাছাকাছি থেকে রাজনীতি করব। কিন্তু এক পার্টি হওয়ার ব্যাপারে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। কারণ, আমরা ইতোমধ্যে একটা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটা রাজনৈতিক দলের যে কাঠামো প্রয়োজন, সে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আমাদের আছে।

আরো পড়ুন: এমন কাজ বাংলাদেশের আর কে করতে পারতেন?

জোটবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যদি একত্রে কাজ করার পরিবেশ তৈরি হয়, তখন হতে পারে। আপাতত, আমরা তাদের সঙ্গে জোট কিংবা এক পার্টি হওয়ার আলোচনায় উপসংহারে পৌঁছাতে পারিনি। সিদ্ধান্ত হয়নি। কিন্তু আলাপ-আলোচনা হয়েছে।

নুর যোগ করেন, শুধু আমাদের সঙ্গেই না। তারা আরো বেশকিছু দলের সঙ্গে এবং ব্যক্তি পর্যায়ে আলাপ আলোচনা করেছে যে, একটা কার্যকর রাজনৈতিক কাঠামো করতে হবে। কারো সঙ্গেই বোধহয় তাদের এডজাস্টমেন্ট হয়নি। কারণ তারা সরকারের জায়গায় আছে। তারা ক্ষমতার ক্ষেন্দ্রে আছে। তাই তারা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রন করতে চায়বে। প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিত্ব হিসেবে অন্যরা আত্মমর্যাদার জায়গা ঠিক রেখেই এক হবে। আমার মনে হয়, এ কারণে কোনো দলের সঙ্গে ঐকমত্য হয়নি।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ধারণ করে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে তারুণ্য নির্ভর রাজনৈতিক দল। সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এ দলে অনেক চমক থাকবে। তার মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), গণ অধিকার পরিষদসহ বেশ কয়েকটা রাজনৈতিক দলের নেতাদের নতুন দলে যোগ দেওয়া।


সর্বশেষ সংবাদ