কোরআন পোড়ানোর হোতা কে এই ফেরদৌস?

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১১:৪০ PM , আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৫, ০৪:১০ PM
মো. ফেরদৌস রহমান ফরিদ (২২)

মো. ফেরদৌস রহমান ফরিদ (২২) © সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিভিন্ন আবাসিক হলসহ মসজিদে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর ঘটনার মূলহোতাকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহের ভালুকা থানার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে আরএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ জানিয়েছেন।

গ্রেপ্তারকৃত মো. ফেরদৌস রহমান ফরিদ (২২) ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা থানার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের মো. মজিবর রহমানের ছেলে ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫ম সেমিস্টারের ছাত্র। ঘটনার পরে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল থেকে পালিয়ে যায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, যশোর, ঢাকা ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে থাকে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১২ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আমির আলী হলের মুক্তমঞ্চ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শহীদ হবিবুর রহমান হল, মাদার বখস হল, মতিহার হল, সোহরাওয়ার্দী হল, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক হলের মসজিদের মেঝেতে ও শেলফে পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআন শরিফের এরূপ অবমাননার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মপ্রাণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মতিহার থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পরে আরএমপি কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের নির্দেশনায় আরএমপির মতিহার থানা পুলিশের পাশাপাশি আরএমপি সিটিটিসি এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একটি টিম মামলাটির তদন্ত কার্য শুরু করে।

তদন্তের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও অন্যান্য স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানোর ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। এরপর আরএমপি সিটিটিটি বিভাগ ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের একটি সমন্বিত অভিযানিক দল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এর সহায়তায় তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ফেরদৌস রহমান ফরিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল সমূহের মসজিদে পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানোর ঘটনার সাথে নিজের সংশ্লিষ্টতা স্বীকার করে। অভিযুক্ত ফরিদের বক্তব্যসহ অন্যান্য বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান বলেন, গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ ছিল কিনা সে ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে তার রাজনৈতিক পরিচয় এবং এই ঘৃণ্য কাজের উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

৭ পদে জনবল নিয়োগ দেবে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ভিজিএফের আওতায় অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সুবিধা দ্বিগুন হচ্…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নীতিমালার আওতায় দেয়া হবে অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি: সড়কমন্ত্রী
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
নোবেল সাহিত্য পুরস্কারের দৌড়ে ২ নারী লেখক
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
আগানগর আদর্শ কলেজে ৮ পদে নিয়োগ, আবেদন ২২ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬