রেকর্ড ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ রেখে গেছে শেখ হাসিনার সরকার

২০ আগস্ট ২০২৪, ০৯:১৮ AM , আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:৩৩ AM
রেকর্ড ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ রেখে গেছে শেখ হাসিনার সরকার

রেকর্ড ১৮ লাখ কোটি টাকা ঋণ রেখে গেছে শেখ হাসিনার সরকার © ফাইল ছবি

বিগত ১৫ বছরের বেশি সময়ে বিভিন্ন উৎস থেকে ব্যাপক ঋণ নিয়েছে সদ্য ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ সরকার। এ ঋণের বড় অংশই নেওয়া হয়েছে দেশি উৎস থেকে। এর মধ্যে আবার বেশি ঋণ নেওয়া হয়েছে—দেশের ব্যাংকব্যবস্থা থেকে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ দেশি-বিদেশি ঋণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পদত্যাগের সময় শেখ হাসিনার সরকার ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার ঋণ রেখে গেছে। এখন অন্তর্বর্তী সরকারকে এ ঋণ পরিশোধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

অর্থ বিভাগ গত ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ঋণের প্রতিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। তাতে মোট ঋণের স্থিতি দেখানো হয়েছে ১৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। ঋণের হিসাব হালনাগাদ করা হয় তিন মাস পরপর। মার্চ ও জুনের হিসাব আরও কিছুদিন পর তৈরি করা হবে। অর্থ বিভাগ ধারণা করছে, চলতি বছরের জুন শেষে দেশি-বিদেশি ঋণ স্থিতি দাঁড়াবে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে দেশি অংশ হবে ১০ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা আর বিদেশি অংশ ৮ লাখ ১ হাজার কোটি টাকা।

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনে বাংলাদেশে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ যাত্রা ভারতের

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্য বলছে, জুন মাস শেষে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৭৯০ কোটি মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১১৮ টাকা দরে হিসাব করলে তা ৮ লাখ ১ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়ায়। গত ডিসেম্বর শেষে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ৪ লাখ ৫ হাজার ৫২০ কোটি টাকা। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের যে স্থিতি ছিল, তা দেশের তিনটি বাজেটের মোট অর্থ বরাদ্দের সমান।

অর্থ বিভাগের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরেও দেশি ঋণের স্থিতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। ক্ষমতায় তখন আওয়ামী লীগই ছিল। কিন্তু ছয় বছরের ব্যবধানে এ ঋণ বেড়ে প্রায় তিন গুণ হয়।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা: গণতন্ত্রের আইকন যেভাবে একনায়ক

আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি যখন সরকারের দায়িত্ব নেয়, তখন দেশি-বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা। ওই সময় দেশি ঋণের চেয়ে বিদেশি ঋণের স্থিতি বেশি ছিল। কিন্তু মাত্রই বিদায় নেওয়া সরকারের শেষ দিকে এসে তা উল্টে যায়। এ সময়ে অবশ্য মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারও বাড়ে।

বিশ্লেষকদের মতে—সাবেক সরকারের যথাযথ ঋণ ব্যবস্থাপনা না থাকায় দেশি উৎস থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নেওয়া হয়েছে। যদিও বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশি ঋণ নেওয়াকে সব সময় স্বাগত জানান অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। গত ১৫ বছরে অনেক বিদেশি ঋণও নেওয়া হয়েছে। তবে এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয়েছে দর–কষাকষি ও বাছবিচারহীনভাবে; যা সরকারের দায়দেনা পরিস্থিতিতে চাপ বাড়িয়েছে।

খুবিতে আজ শোক দিবস: স্মরণ করা হচ্ছে কটকা ট্রাজেডির শহীদদের
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ঈদযাত্রায় সড়কে চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দে…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী দাবি ইরানের
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
পায়ুপথে অর্ধকোটি টাকার স্বর্ণের বার, পাঁচারকারী আটক
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ভিজিএফ কার্ড নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081