© সংগৃহীত
শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান সমস্যা হিসেবে বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এছাড়া খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা ।
বুধবার আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২৪ উপলক্ষে গণসাক্ষরতা অভিযানের আয়োজনে ‘টেকসই শান্তির জন্য শিক্ষা’বিষয়ক মতবিনিময়সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে এডুকেশন ওয়াচ চেয়ারপারসন ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, ‘আমরা একটি শিক্ষা কমিশন করার কথা বলেছিলাম। আজ পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া আমরা শিক্ষা আইন নিয়ে কথা বলেছিলাম।
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি তিন-চার বছর আগে জানিয়েছিলেন এটি নিয়ে কাজ চলছে। এখনো কাজ চলছে কি না আমার জানা নেই।’
শিক্ষায় দুটি মন্ত্রণালয়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দুই মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গেও সমন্বয় রাখা প্রয়োজন। খলীকুজ্জমান বলেন, “আমাদের প্রধান সমস্যা হলো আমরা শিক্ষাব্যবস্থাকে নিয়ে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি।
এ ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন প্রয়োজন, তবে বারবার পরিবর্তনের কারণে নানা জটিলতা দেখা দেয়। আমাদের প্রধান সমস্যা ‘বাস্তবায়ন’। সঠিক পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করতে না পারলে কোনো সুফল পাওয়া যাবে না।
অনেকেই বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাই ওই কাজ করেছি। নিজেদের স্বদিচ্ছা, নীতি-নৈতিকতা না থাকলে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব না। আমরা যদি আরো বড় চেয়ার ও পদ-পদবি চাই তবে শিক্ষার মানোন্নয়ন হবে না। নিজের জন্য নয়, দেশের জন্য কাজ করতে হবে। এ জন্য দেশপ্রেম থাকতে হবে। বাংলাদেশে ধনী হওয়ার হার পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি। অথচ আমাদের রাজস্ব বাড়ছে না। এ কারণে শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সরকার ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”