জামিন পেলেন অধিকারের আদিলুর-এলান

১০ অক্টোবর ২০২৩, ১১:৩৩ AM , আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:৪৯ PM
আদালতে আদিলুর রহমান খান ও নাসির উদ্দিন

আদালতে আদিলুর রহমান খান ও নাসির উদ্দিন © সংগৃহীত

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানের জামিন আবেদন দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিচারপতি এমদাদুল হক আজাদের একক বেঞ্চ শুনানি শেষে এ রায় দেন।

এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। পাশাপাশি জামিন চেয়েছেন তারা।

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে হওয়া মামলায় মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খানসহ দুজনকে দুই বছরের কারাদণ্ডের রায় প্রকাশিত হয়। এক দশক আগে সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে হওয়া মামলায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ রায় দেন। দুই বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামি হলেন অধিকারের পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলান। রায়ের পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন: একসঙ্গে জবি ছাত্রলীগ ও আ.লীগের বড় পদে জিনিয়া আফরিন

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার। ওই বছরের ১০ জুলাই নিহতের তালিকা চেয়ে অধিকারকে চিঠি দেয় তথ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু সংগঠনটি তালিকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ১০ আগস্ট গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন ডিবির উপ-পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম। জিডির পর ওই দিনই গ্রেফতার হন অধিকার সম্পাদক আদিলুর রহমান খান। ওই বছরের ৯ অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান তিনি।

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ৩২ জনকে সাক্ষী করে আদিলুর ও এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। ওই বছর ১১ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে পলাতক আসামি এলানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি মামলাটিতে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। অভিযোগ গঠন সংক্রান্ত আদেশের পর উচ্চ আদালতে মামলা বাতিল চাইলে উচ্চ আদালতের আদেশে বিচারকাজ স্থগিত হয়ে যায়। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পর ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সেই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্য শুরুর দুই বছরের ব্যবধানে বিচার শেষে মামলাটিতে রায় ঘোষণা করা হয়।

৫ দফা দাবিতে সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বাংলাদেশের
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে টানা ৩৪ দিনের মতো উত্তাল ফ্রান্স
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বাংলা ১ম পত্রে ২৪ কবি-সাহিত্যিকের লেখা পড়বেন কলেজ শিক্ষার্থ…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে সভায় বসছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় …
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিইউএফটি জাতীয় কুইজ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাকা কমার্স কলেজ
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬