রিজার্ভ কমে ২৯ বিলিয়ন ডলার, সাত বছরে সর্বনিম্ন

০৯ মে ২০২৩, ০১:০৩ PM , আপডেট: ২০ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৯ AM
ডলার

ডলার © সংগৃহীত

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধ করার পরগতকাল রবিবার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ  ১১৮ কোটি ডলার বা ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার কমে ২৯ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। যা গত সাত বছরে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।

তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের অঙ্ক আরও ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার কম হবে। সংস্থাটির হিসেবে বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৩ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।

এসিইউ (আকু) হলো আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেনের জন্য পেমেন্ট নিষ্পত্তির ব্যবস্থা। এর সদস্য দেশগুলো প্রতি ২ মাস পরপর এর মাধ্যমে তাদের অর্থ পরিশোধ করে। এর মাধ্যমে সদস্যদেশ বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর সুদসহ আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। দায় পরিশোধের মতো রিজার্ভ না থাকায় গত বছরের অক্টোবরে আকু থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে চরম আর্থিক সংকটে থাকা শ্রীলংকা।

ব্যাংকারদের মতে, বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি ফেরাতে আমদানি দায় কমানোর উদ্যোগের মধ্যেও সংকট কাটেনি। নতুন এলসি কমলেও আগের দায় পরিশোধের চাপ রয়েছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে। এ কারণে সংকট কাটছে না অর্থনীতিতে। পাশাপাশি রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় চাপ আরও বেড়েছে। তবে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা উদ্যোগের কারণে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডলার সংকট কেটে যাবে বলে মনে করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আরও পড়ুন: ডিরেক্টর পদে কর্মী নেবে রেড ক্রিসেন্টে, বেতন ৯০ হাজার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চে রিজার্ভ ছিল ৪২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত এক বছরে রিজার্ভের পরিমাণ কমেছে ২৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে রিজার্ভ। ওই অর্থবছরের শেষে রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। ৭ বছর পর আবারও ২৯ বিলিয়নের ঘরে নেমে এসেছে রিজার্ভ। ২০১৭ সালের ২২ জুন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। করোনার আগ পর্যন্ত ৩২ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে ওঠানামা করেছিল রিজার্ভ। কিন্তু করোনার প্রভাব শুরু হলে বিশ্ববাজারে সুদহার অনেক কমে আসে। তখন বিশ্বের অনেক দেশ বৈদেশিক ঋণ কমালেও বাংলাদেশ ব্যাংক বাড়ানোর সুযোগ করে দেয়।

২০২১ সালের মধ্যে রিজার্ভ ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে এমন পথ বেছে নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল। তবে করোনা-পরবর্তী বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বেশির ভাগ জিনিসের দাম বেড়েছে। এরপর রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরের শেষে রিজার্ভ ছিল ৪৬ দশমিক শূন্য ৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালের জুন শেষে ৪১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। গত এক বছরে ১৩ বিলিয়নের বেশি কমে বর্তমানে এ পর্যায়ে নেমে এসেছে।

গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ফল কবে, যা বলছে কর্তৃপক্ষ
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
কবে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা? জানাল ইসি
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে পানি-বিদ্যুতের অপচয় রোধে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মস…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ—এখন কী হবে?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটের সময় কী হয়েছিল?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
৪ সিটি কর্পোরেশনে বিশেষ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬