ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা © সংগৃহীত
ভুয়া এমপিওভুক্তির ফাইল পাঠানোয় নওগাঁর ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলামের বেতন-ভাতা বন্ধ হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার এমপিও সাময়িক স্থগিতসহ ‘কেনো স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না’ তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না দিলে তার এমপিও বাতিল হবে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামকে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মাদরাসা অধিদপ্তর।
নোটিশে জানানো হয়, মাদ্রাসার প্রধান কর্তৃক প্রেরিত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন এমপিও আবেদন এমপিও নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী গঠিত কমিটির যাচাই বাছাইয়ে পরিলক্ষিত হয় যে, নওগাঁ জেলার ধামইরহাট ছিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার আয়া পদে ভুয়া নিয়োগ বোর্ড গঠনপূর্বক ফলাফল শিট প্রণয়ন, মাদ্রাসা শিক্ষা মহাপরিচালক অধিদপ্তরের প্রতিনিধির নামে জাল চিঠি প্রস্তুত এবং স্বাক্ষর জাল করে সুরাইয়া আক্তার পুতুল-এর জুলাই মাসে নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই কমিটি উক্ত আবেদন পরীক্ষা করে মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নামে প্রণীত জাল চিঠি এবং জাল ফলাফল বিবরণী শনাক্ত করে। এর প্রেক্ষিতে কমিটি সুরাইয়া আক্তার পুতুলের নতুন এমপিও আবেদন বাতিলের সুপারিশ করে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল আলমের বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এছাড়া স্থায়ীভাবে বেতন-ভাতা বন্ধ করা হবে না কেন-এ মর্মে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব পাওয়া না গেলে অথবা প্রদত্ত জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হলে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ পাওয়া যায়। তাই তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।