মিনহাজুল ইসলামের কবিতা: রোদসী 

১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২৬ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি সম্পাদিত

রোদসী

মাঝ রজনীতে যমপুরী হতে হাঁকিতেছে বিষ বাঁশি,
সেই সুর ভেঙে আঁধার টুটিয়ে হাসিয়াছে রোদসী।
সেই হাসি ছুঁয়ে নভ উদ্যানে চমকালো কোটি তারা,
তা দেখে নিমিষে চুপসিয়া গেছে নুরের ফেরেশতারা।
স্বর্গদ্যান ভরে গেছে ফুলে ফাগুন আসিছে নামি,
অগ্নিগিরির অনল গিয়েছে ওই হাসি দেখে থামি।
ভুবনমোহন হাসির প্রেমেতে পাপ-তাপ গেছে উবে,
নিষ্কলঙ্ক চাঁদ উঠিয়াছে নীল আকাশের পূবে।  

রোদসী তোমার পায়ের তলায় স্বর্গীয় সুধা ধারা,
দুলোক ভুলোক তোমারে হেরিয়া হতেছে পাগলপারা। 
ও ললাট ছুঁয়ে কিরণ লভিল হুরুল আইন শেষে, 
পক্ষি ডাকিল নহর বহিল বেহেশতেরই দেশে।
কোহেকাফ ছেড়ে জ্বিন-পরী এসে তোমার পায়েতে লুটি,
কী হাসি মাতাল জ্বিন ইনসান করিতেছে ছুটাছুটি। 
সর্প নেউল চির বিদ্বেষ ভুলে হয়ে যায় মিতে,
যুদ্ধ থামিয়া শান্তি বহিছে হরমুজ প্রণালীতে। 

ক্রন্দসী মাঝে যেই শোনা যায় রোদসীর পদধ্বনি,
ভূতলের বুকে জাঁকিয়া উঠিল বিপুলা স্বর্ণ খনি।
রোদসী যখন দেবলোক ছাড়ি ভূলোকেতে আসিয়াছে,
হিরণ মেঘেরা শূন্যে ঘুরিয়া ছায়া দেয় পিছে পিছে। 
রোদসী তোমার হাতের ছোঁয়াতে সুবাস পেয়েছে রেণু,
বংশী বাদক সুর পাইয়াছে বাতাসে বাজিছে বেণু।
কুসুমের বাস মলিন হয়েছে তোমার তনুশ্রীতে,
অন্ধ আঁখিতে দৃষ্টি ফিরেছে তোমার উপস্থিতে।

বসুন্ধরায় আলো কে ছড়ায়, সুদূরের চাঁদ মিছে,
মানবীর বেশে আকাশের চাঁদ দুনিয়াতে আসিয়াছে।
রোদসী তোমার মাথার ওপরে এককোটি তারা জ্বলে,
এত তারা রাজি আলো হারিয়েছে তোমার মুকুট তলে।
তপতী তারক তোমারে হেরিয়ে অবিরাম ঘূর্ণন, 
তার বিনিময়ে ধরা দিবে কী হে এ মনে তোমার মন?
তোমারে হেরিয়ে নামিবার চাহে অক্ষি নদীর ঢল,
রোদসী আমারে দিয়ে গেলে শেষে দুই ফোঁটা আঁখি জল।


কবিতার ছন্দ : মাত্রাবৃত্ত।
কলমে : তরুণ কবি ও কলামিস্ট মিনহাজুল ইসলাম।

ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের সমস্যা বাড়তে পারে?
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
তিন মাদ্রাসা সুপারকে শোকজ
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
আর্জেন্টিনা কেন সব সময় দুর্বল দলের সঙ্গে খেলে, যা বললেন স্ক…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর অসুস্থ
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণে গতি বাড়া…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে কলেজের সহপাঠীকে খুন, মৃত্যুদণ্ডের মঞ্চ…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬