দুর্নীতির মামলায় কাস্টমসের ১১ কর্মকর্তার জামিন বাতিল, কারাগারে প্রেরণ

১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৫ PM
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত © সংগৃহীত

কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের করা মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

রোববার (১২ জুলাই) শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এ আদেশ দেন। 

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।

দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এতথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ১১ আসামি হাইকোর্ট থেকে অন্তবর্তীকালিন জামিন পেয়ে গত ১৬ এপ্রিল বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। ওইদিন আদালত তাদের জামিন বর্ধিত করে ধার্য তারিখ পর্যন্ত বহাল রাখেন। এই অবস্থায় তারা স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষ বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর পাঁচ দেশে রফতানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রফতানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংক জমা হয়। শুধু তাই নয় ৩৪টি রফতানি চালানের মূল্যবাবদ প্রণোদনা হিসাবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়েছে। অথচ বাস্তবে কোনো রফতানি হয়নি।

আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দো এম্পেক্স লিমিটেডের মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে। যার মধ্যে ৭ বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কৃষি জাতীয় পণ্য রফতানির সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কোনো পণ্যই বিদেশে রফতানি হয়নি। অথচ পণ্য রফতানির বিপরীতে অগ্রিম হিসাবে পুরো অর্থ ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭.৪৪ মার্কিন ডলার অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রত্যাবাসন হয়েছে।

টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ টাকা। রফতানি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

ডিজেল অকটেন পেট্রোলের দাম অক্টোবরে একই থাকছে
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেপজার অধীনে কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ১৫ …
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৯তম বিসিএসের গেজেট থেকে বাদ ৫৭ জন, যা বলছে পিএসসি
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ফুটবলে সবই সম্ভব’, আত্মবিশ্বাসী বার্তা জামাল ভূঁইয়ার
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এক বছর আগে শিবির থেকে বহিষ্কার হন আম্মার, প্রকাশ্যে তিন চিঠি
  • ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬