এনডিএফের লোগো © সংগৃহীত
‘গরিবের চিকিৎসাকেন্দ্র’ হিসেবে পরিচিত আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ)। একই সঙ্গে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১৩ জুন) এক বিবৃতিতে এনডিএফের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদ হোসেন এ উদ্বেগ জানান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে আদ-দ্বীন হাসপাতাল স্বল্প ব্যয়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে, যা দেশের দরিদ্র, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
এনডিএফ জানায়, ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ৩ লাখ ৩ হাজারেরও বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করেছে। শুধুমাত্র ২০২৫ সালেই ১৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭২৬ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। একই বছরে ৯ হাজার ১৯৭টি স্বাভাবিক প্রসব, ২৮ হাজার ৬৭৪টি সিজারিয়ান ডেলিভারি, ১৩ হাজার ৩৬১টি সাধারণ অস্ত্রোপচার এবং ৯ হাজার ৮৩৬ জনকে টিকাদান সেবা দেওয়া হয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, সম্প্রতি ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, যা দরিদ্র ও নিম্নআয়ের বিপুল সংখ্যক রোগীর চিকিৎসাসেবায় বড় ধরনের সংকট তৈরি করতে পারে, কারণ তারা দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল।
এ কারণে মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় এনে সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে এনডিএফ।