করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত এক নারীকে হাসপাতালে ঢুকতে দেয়নি হাসপাতালকর্মী ও এলাকার লোকজন। একে একে চারটি হাসপাতাল থেকে তাকে ফিরিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে সরকারি কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন ৬৫ বছর বয়সী করোনা আক্রান্ত ওই নারী।
বলিভিয়ার প্রাদেশিক একটি শহরের এমন ঘটনাটি ঘটেছে। চারটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাকে বাধা দিয়েছেন। কাজেই হাসপাতালে থেকে তিনি চিকিৎসা নিতে পারছেন না। বুধবার (১১ মার্চ) রাতে সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণমাধ্যম এমন খবর দিয়েছে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, অ্যাম্বুলেন্সে করে কেন্দ্রীয় বলিভিয় শহর স্যান কারলোস থেকে প্রাদেশিক রাজধানী সান্তা ক্রুজে বুধবার বিকালে তাকে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু সেখানে অপ্রতুল চিকিৎসা ও অতিরিক্ত ভিড়ে কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নার্স বলেন, আমরা হাসপাতালে ওই নারীকে ঢুকতে দিইনি। কারণ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় এই হাসপাতালের যথেষ্ট প্রস্তুতি নেই।
খবরের কাগজ দেবরাকে তিনি বলেন, এখানে বহু রোগী রয়েছেন। তাকে এখানে ভর্তি করা হলে তারাও সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হতে পারেন।
বুধবার রাতে সান্তা ক্রুজে এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ওসকার উরেন্দা এই অচলাবস্থার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, স্যান জোয়ান ডি ডিওসে একটি এলাকা আমরা প্রস্তুত রেখেছি। কিন্তু তাকে গ্রহণে লোকজনের অনীহা ও লোকজনের মানবতা না থাকায় তাকে সেখানে রাখা সম্ভব হয়নি।