সরকার

কালকের মধ্যেই সরাতে হবে ভাড়াটে, নয়তো বাতিল হবে সরকারি বাসা

৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৬ PM , আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ PM
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার © সংগৃহীত

সরকারি বাসা বরাদ্দ নিয়ে সেখানে নিজে বসবাস না করে অন্যকে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন—এমন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। আগামীকাল শনিবারের (৩১ অক্টোবর) মধ্যে সরকারি বাসা থেকে সব ভাড়াটে ও সাবলেটগ্রহীতাকে সরিয়ে নিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরও কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর বাসা বরাদ্দ বাতিল করা হবে। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ বিষয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এতে পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপ্রাপকদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু সরকারি চাকরিজীবী তাঁদের নামে বরাদ্দ করা বাসার এক বা একাধিক কক্ষ কিংবা পুরো ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন। বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী এ ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া সরকারি বাসার পুরো অংশ কিংবা আংশিক কোনোভাবেই অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দেওয়া যাবে না। যাঁরা ইতিমধ্যে বাসা ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন, তাঁদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটে ও সাবলেটগ্রহীতাদের সরিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের নামে বরাদ্দ করা বাসায় বসবাস করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো সরকারি বাসায় ভাড়াটে বা সাবলেটগ্রহীতা পাওয়া গেলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বরাদ্দ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া বিধি অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালার ১৪(৩) বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের অফিসপ্রধান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হবে। ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাবে আবাসন পরিদপ্তর।

আবাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর আজিমপুর, মতিঝিল ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের ফ্ল্যাট রয়েছে। এসব বাসা যাঁদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের কেউ কেউ সেখানে বসবাস না করে অন্যের কাছে ভাড়া দিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের ঘটনা চলে আসছে।

পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রেণির মোট ১৯ হাজার ৯১টি সরকারি বাসা রয়েছে। এর মধ্যে সচিবদের জন্য ১১৪টি সচিব নিবাস ও ৭৯টি বাংলো রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য শ্রেণিভেদে আরও বাসা ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ রয়েছে।

অধ্যক্ষ আজিজীকে হয়রানি বন্ধের দাবিতে দেশব্যাপী মানববন্ধন শন…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠন করবে না নেতানিয়াহু
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার ১১ ঘণ্টা  বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের একাধিক জেলায়
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
মিরপুরে বৃষ্টির দিনে ব্যাটিং ধস, দিশেহারা টাইগাররা
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্বে সবচেয়ে সহজে বিসর্জন দেওয়া পণ্য হলো মানুষের জীবন: প্র…
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬
‘ট্রান্সজেন্ডার’ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, পদত্যাগ চেয়ে …
  • ৩০ অক্টোবর ২০২৬