জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের টিকিট মিলবে অনলাইনে, যেভাবে বুক করবেন

০৫ আগস্ট ২০২৬, ০২:১১ PM
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর © সংগৃহীত

গণভবনের প্রতিটি ইট যেন বহন করছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি। গণভবন তাই রূপান্তর হলো স্মৃতি জাদুঘরে। আগামীকাল (৬ আগস্ট) থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। জাদুঘর পরিদর্শনের আগেই অনলাইনে নিবন্ধন, টাইম-স্লট নির্বাচন এবং টিকিট বুকিং সম্পন্ন করতে হবে। 

যেভাবে বুক করবেন টিকিট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি, আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং সুশৃঙ্খলভাবে দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে টাইম-স্লটভিত্তিক প্রবেশ ব্যবস্থা।

জাদুঘর পরিদর্শনের আগে দর্শনার্থীদের অবশ্যই ‘জুলাই ৩৬’ ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর নিজের সুবিধামতো একটি টাইম-স্লট নির্বাচন করে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে।

টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।  এক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা। শিশুদের জন ২৫ টাকা। নিবন্ধন ও টিকিট বুকিং সম্পন্ন হলেই নির্ধারিত সময়ে জাদুঘরে প্রবেশ করা যাবে।

গণভবন যেভাবে গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হলো

শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ১৭ দশমিক ৬৮ একর আয়তনের গণভবন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় যায়। পরে একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর এটিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। ২৪ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

শুরুর দিকে জাতীয় জাদুঘরের অধীনে শাখা জাদুঘর হিসেবে পরিচালনার পরিকল্পনা থাকলেও পরে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। পরবর্তীতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গণভবনের সম্পূর্ণ জমি ও স্থাপনা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করে। দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে জাদুঘরটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এভাবেই ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একসময়ের ক্ষমতার কেন্দ্র আজ ইতিহাসের স্মারকে রূপ নিয়েছে গণভবন।

জাদুঘরের প্রবেশমুখেই দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানভিত্তিক নকশা ও কারুকার্য। প্রাঙ্গণে স্থান পেয়েছে আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রিকশার ওপর দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানানো রিকশাচালক মো. সুজন খানের আলোচিত মুহূর্তের প্রতিকৃতি।

জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুর্লভ আলোকচিত্র, গ্রাফিতি, ভিডিওচিত্র, দলিল-দস্তাবেজ, সংবাদপত্রের কাটিং, শহীদদের ব্যবহৃত পোশাক, ব্যক্তিগত সামগ্রী, স্মৃতিচিহ্ন এবং বিভিন্ন অডিও-ভিডিও উপকরণ। এসব প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরবে আন্দোলনের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও বিজয়ের ইতিহাস।

এদিকে আজ সকাল ৯টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

পরে তিনি জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং সেখানে সংরক্ষিত ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনের বিভিন্ন নিদর্শন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের স্মৃতি ও ঐতিহাসিক দলিল পরিদর্শন করেন।

টিবি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন গণশিক্ষা প্রতি…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
সারা দেশ অশান্ত হলেও আমার ক্যাম্পাসে এখনো শৃঙ্খলা বিরাজমান:…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
দুই দিনে তিন বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষ, আ…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
পুলিশ দেখে দৌড়, খালে পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথে নামব, আমিও নামব
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে হট্টগোল, চলে গেলেন কূটনীতিকরা
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬