সাফল্য-ব্যর্থতায় সরকারের ৩ মাস পূর্তি

ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিশাল ঋণ ও আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার বড় চ্যালেঞ্জ

১৭ মে ২০২৬, ০৭:১৯ PM , আপডেট: ১৭ মে ২০২৬, ০৭:২৭ PM
সাফল্য-ব্যর্থতায় সরকারের ৩ মাস পূর্তি

সাফল্য-ব্যর্থতায় সরকারের ৩ মাস পূর্তি © টিডিসি সম্পাদিত

সাফল্য-ব্যর্থতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার তিন মাস পূর্ণ করেছে আজ রবিবার (১৭ মে)। চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর তিনি এই দায়িত্ব লাভ করেন। এর মাধ্যমে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্থলাভিষিক্ত হন। 

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারের এই সংক্ষিপ্ত সময়ে ভঙ্গুর অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের চ্যালেঞ্জ, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদি নানা সংকট মোকাবিলা করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।

নতুন সরকারের তিনমাসে দেশের অর্থনীতি, বিশেষ প্রকল্প এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে অর্থনীতিবিদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও উন্নয়ন গবেষকদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত আছে। 

বিগত পতিত আওয়ামী সরকারের আমলের রেখে যাওয়া বিশাল ঋণের বোঝা এবং দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে নতুন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরমধ্যে রয়েছে বিশাল বৈদেশিক ঋণের বোঝা ও রিজার্ভ চাপ। সরকারের তথ্যমতে, বিগত সরকারের আমলের বিপুল পরিমাণ অর্থপাচারের কারণে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার বিশাল ঋণের বোঝা নিয়ে এই অর্থনীতিকে সচল করতে হচ্ছে। তবে সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তির বড় জায়গা তৈরি করেছে প্রবাসী রেমিট্যান্স, যা গত তিন মাসে প্রায় ৭.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ কারণে চাল, ডাল ও নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যস্ফীতি এখনো সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তি। বাজার নিয়ন্ত্রণে মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি ভাঙা সম্ভব হয়নি।

তাছাড়া আওয়ামী সরকারের পতনের পর ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনও অনেকটা নাজুক অবস্থায় রয়েছে। বিগত অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে শুরু হওয়া ‘মব কালচার’ বা ‘মব জাস্টিস’ এখনও বিদ্যমান। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনী মেরুদন্ড সোজা করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। যা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার প্রথম সংসদীয় বক্তব্যেই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন ও কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকারের এক নম্বর অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সরকার দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি মুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ বিধিবদ্ধ নিয়মে পুলিশ ও প্রশাসন চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিগত ১৭ বছরের রাজনীতিকরণের কারণে ভেঙে পড়া পুলিশ ও সিভিল প্রশাসনকে কর্মক্ষম ও দক্ষ করে তোলার কাজ চলছে। 

দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক শূন্যতা ও রাজনৈতিক পালাবদলের পর দেশের কিছু স্থানে বিচ্ছিন্ন অস্থিতিশীলতা, মব জাস্টিস এবং বিশৃঙ্খলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা নতুন সরকারের জন্য এখনও একটি বড় পরীক্ষা।

নতুন সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহলের তৈরি করা রাজনৈতিক বিভ্রান্তি ও অস্থিতিশীলতা নিয়ন্ত্রণ করাও সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। 

নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অবশ্য সরকারকে সময় দেওয়ার কথা বলেছেন। তাদের মতামত, তিন মাস একটি সরকারের আইন-শৃঙ্খলা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য যথেষ্ট সময় নয়, বিশেষ করে যখন প্রশাসন দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রণহীন ছিল। তবে মন্ত্রীদের কাজে সার্বক্ষণিক জবাবদিহিতা এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল ভেঙে সাধারণ মানুষের মতো চলাচল বা তদারকির কারণে মাঠপর্যায়ে একটি ইতিবাচক বার্তা গেছে। এখন দল-মত নির্বিশেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনের সমান প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের শতভাগ আস্থা অর্জন করাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

সরকারের প্রথম তিন মাসের প্রধান অর্জন ও সংস্কার কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক কাঠামো। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাপ কমাতে প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে সরকার। 

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতে গণমাধ্যম সম্পাদকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রতি তিন মাস পর পর বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় আজ রবিবারও সরকারের তিন মাস পূর্তির দিন সচিবালয়ে সম্পাদক পরিষদের নেতাদের সঙ্গে দ্বিতীয়দফার বৈঠক শেষে তাদের নিয়ে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

কৃষকদের পাশে তারেক রহমানের সরকার
ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কল্যাণের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যেই দেশের ১০টি জেলার ২২ হাজার কৃষককে সব ধরনের কৃষি সুবিধা সংবলিত প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিশেষ 'কৃষক কার্ড' প্রদান করেছে। সরকার আগামী ৫ বছরে দেশের মোট ২ কোটি ৭৫ লাখ (প্লাস-মাইনাস) কৃষককে পর্যায়ক্রমে এই 'কৃষক কার্ড' দেওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং কৃষি মন্ত্রণালয় ঘোষিত এই মেগা উদ্যোগের বাস্তবায়ন সময়সীমা ও চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

৫ বছরের মেয়াদে দেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকের দোরগোড়ায় এই কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাইলট বা প্রথম ধাপ: ২০২৬ সালের পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে ২২,০৬৫ জন কৃষককে এই কার্ড প্রদানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কার্ডের আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক বছরে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ আর্থিক সহায়তা পাবেন। এর পাশাপাশি ন্যায্যমূল্যে বীজ, সার ও সেচ সুবিধাসহ মোট ১০ ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।  

ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুসরণে সারা দেশে জলাশয় পুনরুদ্ধার ও কৃষি সেচ সুগম করতে ঐতিহাসিক খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প পুনরায় চালু করা হয়েছে। 

বর্তমান সরকারের ৫ বছরের মেয়াদে দেশজুড়ে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক উৎপাদনমুখী কর্মসূচি অনুসরণ করে এই বিশালাকার মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী 'দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এই কার্যক্রম চলছে। সরকারের ১৮০ দিনের ক্র্যাশ প্রোগ্রামের আওতায় আগামী জুন ২০২৬ সালের মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় মিলে সারা দেশে ১,২০৪ কিলোমিটার খাল খনন শেষ করবে। এরপর নতুন ও চলমান প্রকল্পের সমন্বয়ে আগামী ৫ বছরের মেয়াদে মোট ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন অথবা পুনঃখনন সম্পন্ন করা হবে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব কাঠামোর (কাবিখা-কাবিটা-টিআর) মাধ্যমে ২০ হাজার কিলোমিটারের মধ্যে এককভাবে ৭,০০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে চলতি বছরই দেশের ১টি জেলা বাদে বাকি ৬৩টি জেলায় স্থানীয় প্রশাসনের তদারকিতে ১,৫০০ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হবে। 

তিনি বলেন, এবারের খাল খনন কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে—আমরা কেবল খাল খনন করেই ক্ষান্ত হব না, খালের পাড়ে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ এবং জলাশয়ে মাছ চাষের যুগান্তকারী উদ্যোগও নিয়েছি।

ফ্যামিলি কার্ড চালুকরণ
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে হাজার হাজার দুস্থ পরিবারকে 'ফ্যামিলি কার্ড' দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নারীদের প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। 

দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ
জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করতে দেশজুড়ে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে পানিসম্পদ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়। 

সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি
সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্য ধর্মের পুরোহিতদের জন্য বিশেষ সরকারি ভাতার ব্যবস্থা করার কাজ শুরু হয়েছে।

রাষ্ট্র সংস্কার ও দ্রুত জনকল্যাণ নিশ্চিতে সরকার শুরুতেই ১৮০ দিনের একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম বা অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে বাজেটে নারীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ। আগামী বাজেটে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক গ্রামীণ নারীর কাছে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার সরকার কেবল ফাঁপা স্বপ্ন দেখাবে না বরং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা নিয়ে আগাবে। 

প্রকল্পে ব্যয় সংকোচন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, ফাঁপা কোনো মেগা প্রকল্প নয় বরং প্রকল্পের ব্যয় যৌক্তিক, সাশ্রয়ী ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে।

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকার বিশাল ঋণ এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা সামাল দেওয়া নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। 

বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মারাত্মক চাপ তৈরি হয়েছে। 
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণে এনে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরানো এখনও একটি চলমান জটিল লড়াই। 

সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) নির্বাহী পলিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন সম্প্রতি এক সেমিনারে জানিয়েছেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারই একমাত্র পথ। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সীমিত রাজস্ব পরিসর এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে অর্থনীতি একটি জটিল সন্ধিক্ষণে রয়েছে। তবে সরকার যে সমন্বিত মুদ্রানীতি ও নতুন কৌশলগত অর্থনৈতিক ফ্রেমওয়ার্ক (Strategic Economic Framework) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরবে।

বিগত সরকারগুলোর মেগা প্রজেক্টের সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসে ফ্যামিলি কার্ড বা খাল খননের মতো তৃণমূলমুখী সেবামূলক প্রকল্পে বর্তমান সরকারের মনোযোগ দেওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে অনেক প্রকল্পের তহবিল বণ্টন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। এটি কাটাতে আইটি খাতের সমন্বয় ও সরাসরি ডিজিটাল ক্যাশ ট্রান্সফার আরও জোরদার করতে হবে বলেও মতামত তাদের।

বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমান সরকারের প্রথম ৯০ দিন মূলত ছিল ‘সেট প্রস্তুতি ও আবর্জনা পরিষ্কারের’ সময়। তিন মাসেই কোনো ম্যাজিক বা চূড়ান্ত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। তবে জবাবদিহিতা ও জনকল্যাণমূলক কাজের যে ধারা শুরু হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই সরকারের পরবর্তী ৫ বছরের সফলতার চাবিকাঠি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হামলায় আহত ডাক্তারকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী …
  • ১৭ মে ২০২৬
কক্সবাজার কর অঞ্চলে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ১২২, আবেদন ৪ জ…
  • ১৭ মে ২০২৬
প্রথমবারের মতো স্টারলিংক নেটওয়ার্কের আওতায় আসল রাবি 
  • ১৭ মে ২০২৬
শিক্ষার্থীরা ঢুকতে দেয়নি, ইউএনও অফিসে গিয়ে যোগদান করলেন ডুয়…
  • ১৭ মে ২০২৬
নাহিদ রানার গতি ও মেধায় মুগ্ধ বাবর আজম
  • ১৭ মে ২০২৬
এখনও শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু না হওয়ার কারণ জানালেন শি…
  • ১৭ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081