সব ধর্মের মানুষ মিলেই গড়ে তুলবে নিরাপদ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৯ PM
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © সংগৃহীত

মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের ব্যতিক্রমধর্মী এই আয়োজনে এমন কিছু মানুষ একত্রিত হয়েছেন, যাদেরকে মানুষ কোনো বাধ্যবাধকতা ছাড়াই সম্মান করে এবং জীবনের কঠিন সময়ে যাদের কাছ থেকে ভালো উপদেশের প্রত্যাশা করে।’

তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্মের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষরাও উপস্থিত রয়েছেন। সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের সহায়তায় সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। আগামী ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ থেকে ফার্মার্স কার্ড বা কৃষক কার্ড চালু হবে এবং ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে। আজ থেকে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি চালু হলো। পর্যায়ক্রমে সারাদেশের প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের এই সহায়তার আওতায় আনা হবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা এমন একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই, যেখানে কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাও জরুরি। ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতা, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদ রয়েছে এবং এগুলোকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। অতীতে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি ও মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালুর মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি তাদের দক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

সরকারি তথ্যমতে, প্রথম পর্যায়ে পাইলট প্রকল্পের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬ হাজার ৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় একজন ইমাম বা ধর্মীয় প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে তিনি বলেন, ‘মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করবে, এটিই আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। সবাই মিলে একটি নিরাপদ রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’

রাস্তায় বৃদ্ধাকে ভয় দেখানোয় রোবটকে আটক করল পুলিশ
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
গোপালগঞ্জে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত অভিযান শ…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
কালকের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে আল্টিমেট…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
মোজতবা খামেনিকে ধরিয়ে দিতে কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা যুক্তরা…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
যশোরের নওয়াপাড়ার কাঠপট্টিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে…
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকলে রাজপথে আন্দোলননের …
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081