সময় শেষ হলেও লাইনে দাড়াঁনো ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণ চলবে, তবে...

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৬ PM , আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫০ PM
লাইনে দাঁড়ানো ভোটার

লাইনে দাঁড়ানো ভোটার © সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রশ্নে গণভোটের ভোটগ্রহণ আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি যেমন বাড়ছে, তেমনি বিশেষ করে ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের ব্যাপক সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। 

যদি ভোটের সময় শেষ হচ্ছে বিকেল সাড়ে ৪টায় অর্থাৎ আর মাত্র কিছু সময় পর। তবে সময় শেষ হলেও লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণ চলবে, যদিও নতুন করে কাউকে সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ চলাকালে রাজধানীর এক কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ওই সময়ের মধ্যে যারা ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবেন, তাদের সবার ভোট গ্রহণ করা হবে। তবে বিকেল সাড়ে ৪টার পর নতুন করে কেউ আর লাইনে দাঁড়াতে পারবেন না। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, লাইনে থাকা অবস্থায় সাড়ে ৪টা বেজে গেলেও ভোটারদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই, কর্তৃপক্ষ সবার ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করবে।

আরও পড়ুন: ভোট ডাকাতি হলে মির্জা আব্বাসের ‘রাজত্ব খানখান’ করে দেব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর

এদিকে রাজধানীর গুলশান-বনানী ও ধানমণ্ডি এলাকার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে নারী ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়, যেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও ভোটারদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। 

দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টার মধ্যেই অনেক কেন্দ্রে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ভোট কাস্টিং সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে বনানীর ৫১ নম্বর কেন্দ্রে দুপুর সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৫১০টি ভোটের বিপরীতে ৭৯৫টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটের ২২ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকলেও বাকি আসনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। মোট ২ হাজার ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন ২৭৫ জন। দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি সর্বোচ্চ ২৯১ জন, ইসলামী আন্দোলন ২৫৮ জন, জামায়াতে ইসলামী ২২৯ জন এবং জাতীয় পার্টি ১৯৮ জন প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩২ জন প্রার্থী ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটারের এই বিশাল কর্মযজ্ঞে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন।

নির্বাচনী নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৫৬ হাজার পর্যবেক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন। ভোটার সংখ্যার হিসেবে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী এলাকা গাজীপুর-২ এবং সবচেয়ে ছোট ঝালকাঠি-১ আসন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

রাজধানীতে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোটগ্রহণ শেষ
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩৬ হাজার কেন্দ্রে কত শতাংশ ভোট পড়ল, জানাল ইসি
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেষ হলো ভোটগ্রহণ, অপেক্ষা গণনার
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোটকেন্দ্র থেকে নির্বাচনি সিল উধাও
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে, ভোট বর্জন…
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝালকাঠিতে জামায়াতের প্রার্থীর ওপর হামলা, আহত ৮
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!