জাতীয় পে কমিশন © টিডিসি সম্পাদিত
প্রস্তাবিত পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ১৩ সংগঠনের সঙ্গে আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) সভায় বসেছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে কমিশন)। বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় অংশ নিয়ে পে কমিশনে ১০ দফা দাবি পেশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকেরা।
তাদের দাবি গুলো হলো:
১. ১:৪ অনুপাতে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৩৫ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে জাতীয় বেতন স্কেল/২০২৫, আগামী বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা।
২. বেতন গ্রেড ২০টি থেকে কমিয়ে ১০/১২টি করা।
৩. চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০০৯’ এর ধারাবাহিকতায় 'চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ সংশোধন পূর্বক পূর্বের ন্যায় ‘সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল’ পুনর্বহাল করে জাতীয় বেতন স্কেল/২০২৫-এ ‘সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল’ বহাল রাখা।
৪. বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ১০% হারে প্রতি বছর বৃদ্ধি করা।
৫. বাড়ি ভাড়া ঢাকা মহানগরে মূল বেতনের ১০০%, বিভাগীয় শহরে ৯০%, জেলা শহরে ৮০%, উপজেলা/ থানা শহরে ৭০% করা।
৬. চিকিৎসা ভাতা ১২ হাজার টাকা অথবা মূল বেতনের ২০% হারে নির্ধারণ করা।
৭. শিক্ষা ভাতা দুই সন্তানের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অথবা মূল বেতনের ২০% হারে এবং এক সন্তানের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা অথবা মূল বেতনের ১০% হারে নির্ধারণ করা।
৮. প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগকে নন-ভ্যাকেশন বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করে অন্যান্য বিভাগের মতো নির্দিষ্ট সময় অন্তর নির্দিষ্ট তারিখেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে ‘শ্রান্তি বিনোদন ভাতা ও ছুটি’ পাওয়ার বিধান যুক্ত করা। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি অর্জিত ছুটি হতে কর্তন না করার বিধান করা।
৯. পেনশন ৯০% এর পরিবর্তে ১০০% এবং আনুতোষিকের হার ২৩০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকায় বৃদ্ধি করার দাবি করছি। একই সাথে বিগত সরকারের ৫০% আনুতোষিকের অর্থ সমর্পন ব্যতীত ১০০% অর্থ পরিশোধ করা।
১০. শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রাথমিক শিক্ষক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত সকল স্তরের শিক্ষকদের জন্য সমহারে শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রবর্তন করা।