আর্জেন্টাইন ফুটবলার এনজো ফার্নান্দেজকে কেন মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হলো?

২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৮ AM
আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি

আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়কে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি © সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে। ১০ মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখেন চেলসির এই খেলোয়াড়। ফলে অতিরিক্ত সময় শুরুর ঠিক আগে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার সমতা ফেরানো গোলটি করেছিলেন ২৫ বছর বয়সী ফার্নান্দেজ। ফাইনালে অবশ্য তার শেষটা হলো লাল কার্ডে।

ফার্নান্দেজ প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন ম্যাচের ৮২ মিনিটে। স্পেনের রদ্রির সামান্য স্পর্শে পড়ে গিয়ে ফাউল না পাওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের দিকে রাগান্বিতভাবে হাত নাড়েন তিনি। এতে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। পরে ব্যঙ্গাত্মকভাবে হাততালি দিয়ে আরও শাস্তির ঝুঁকিও তৈরি করেছিলেন ফার্নান্দেজ।

এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে স্পেনের পাউ কুবার্সির ওপর দেরিতে গিয়ে মারাত্মক ট্যাকল করেন তিনি। মাঝমাঠের দিকে এগিয়ে যাওয়া বল ক্লিয়ার করতে কুবার্সি পা বাড়ান। ঠিক তখনই ফার্নান্দেজের পা গিয়ে লাগে তার শিন ও পায়ে। আঘাতে কুবার্সি মাটিতে ছিটকে পড়েন।

ঘটনাটিকে ‘বোকামি’ বলে মন্তব্য করেন সাবেক ইংলিশ স্ট্রাইকার অ্যালান শিয়ারার। ফার্নান্দেজ অবশ্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের চেষ্টা করেন। অবিশ্বাস প্রকাশ করে হাত নাড়েন এবং ভিএআর দেখার অনুরোধ জানান। মাঠ ছাড়তেও তাঁর কয়েক মিনিট সময় লাগে। মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় আর্জেন্টিনার সমর্থকদের দিকে হাত তুলে ক্ষমা চান ফার্নান্দেজ। পরে হতাশায় সাইডলাইনের একটি মাইক্রোফোনে লাথি মারেন তিনি।

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখা ষষ্ঠ খেলোয়াড় হলেন ফার্নান্দেজ। আর্জেন্টিনার তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই তালিকায় যুক্ত হলেন তিনি। এর আগে ১৯৯০ সালের ফাইনালে আর্জেন্টিনার পেদ্রো মনজন ও গুস্তাভো দেজোত্তি লাল কার্ড দেখেছিলেন। এ ছাড়া ফ্রান্সের মার্সেল দেসাই (১৯৯৮), জিনেদিন জিদান (২০০৬) এবং নেদারল্যান্ডসের জন হেইটিঙ্গা (২০১০) বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখেছেন।

ফার্নান্দেজের বিদায়ের পর ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে আরও চাপে ফেলে স্পেন। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে বদলি হিসেবে নামা ফেররান তোরেসের গোলে ১–০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতে ইউরোপের দলটি।

লিওনেল মেসির সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপও শেষ হয় হতাশায়। পুরো ৯০ মিনিটে আর্জেন্টিনা কোনো শট নিতে পারেনি। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্দান্ত কিছু সেভ না থাকলে স্পেন আরও আগেই এগিয়ে যেতে পারত। এমনকি লামিন ইয়ামালের ফ্রি-কিক থেকেও গোল হতে দেননি মার্তিনেজ।

ফার্নান্দেজের দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পরও স্পেন আক্রমণ চালিয়ে যায়। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করেন তোরেস। এরপর আর সমতা ফেরাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। ফাইনালের শেষ বাঁশির পর মাঠে উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। স্পেনের শিরোপা উদ্‌যাপনের মধ্যেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: তদন্তে ৩০টির বেশি সুপারিশ, বা…
  • ২১ জুলাই ২০২৬
আন্দোলনের সময় গুপ্তদের অনেক খুঁজেছি, কিন্তু পাইনি: তারেক রহ…
  • ২১ জুলাই ২০২৬
‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষও চিনে তারা কারা: …
  • ২১ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে আবাসিক হোটেল থেকে পাঁচ নারীসহ আটক ১১
  • ২০ জুলাই ২০২৬
আন্দোলন শরিক নেতাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ২০ জুলাই ২০২৬
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্…
  • ২০ জুলাই ২০২৬