জাপান-ব্রাজিল ম্যাচ © সংগৃহীত
প্রথমার্ধে দীর্ঘ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রাখলেও সেই আধিপত্যকে গোলের সুযোগে রূপ দিতে পারেনি ব্রাজিল। জাপানের সুশৃঙ্খল ও দৃঢ় রক্ষণভাগের বিপক্ষে আক্রমণে ধারহীন দেখিয়েছে সেলেসাওদের।
অন্যদিকে, জাপান শুরু থেকেই ধৈর্য ধরে পাল্টা আক্রমণের অপেক্ষায় ছিল। সেই পরিকল্পনাই সফল হয় প্রথমার্ধে। ব্রাজিল ডিফেন্ডার দানিলোর ভুলে আলগা হয়ে যাওয়া বল কেড়ে নিয়ে কাইশু সানো বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে আলিসনকে পরাস্ত করে জাপানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
ম্যাচের আগে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জাপানকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল বলে প্রশংসা করেছিলেন। প্রথম ৪৫ মিনিটে সেই মন্তব্যের যথার্থতাই যেন প্রমাণ করেছে ব্লু সামুরাইরা।
দ্বিতীয় মিনিটেই গোলের দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেন ব্রুনো গিমারায়েস। তবে তার নিচু শট জাপানের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে কর্নার হয়ে যায়। দুই মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বিপজ্জনক এলাকায় ঢুকে পড়লেও দ্রুত বেরিয়ে এসে বল মুষ্টিবদ্ধ করে বিপদ কাটান জাপানের গোলরক্ষক।
শুরুর চাপ ধরে রেখে ১৪তম মিনিটে আবারও সুযোগ পায় সেলেসাওরা। এবার ম্যাথেউস কুনিয়ার ডান পায়ের নিচু শট অল্পের জন্য পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। এক মিনিট পর জুনিয়া ইতোকে বক্সের সামনে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন কাসেমিরো। সেই ফ্রি-কিক থেকে জাপান সুযোগ তৈরি করলেও ব্রাজিলের রক্ষণে লেগে বল কর্নারে পরিণত হয়।
আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা না পাওয়া ব্রাজিলকে ২৯তম মিনিটে শাস্তি দেয় জাপান। দানিলোর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে মাঝমাঠ থেকে দুর্দান্ত দৌড় শুরু করেন কাইশু সানো। কাসেমিরো তাকে অনুসরণ করলেও থামাতে পারেননি। প্রায় ৩০ গজ বল নিয়ে এগিয়ে বক্সের সামনে থেকে জোরালো নিচু শটে আলিসন বেকারকে পরাস্ত করেন জাপানের এই মিডফিল্ডার।
জার্মান ক্লাব মেইঞ্জে খেলা সানোর এটি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম গোল। তার এই দুর্দান্ত গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে জাপান।