জাপান-ব্রাজিল ম্যাচ © সংগৃহীত
হিউস্টনের মাঠে ২৯তম মিনিটে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিলের সামনে এখন কেবল ম্যাচ বাঁচানোর লড়াই-ই নয়, বরং দীর্ঘ ১২ বছরের এক অনাকাঙ্ক্ষিত ইতিহাস ভাঙার কঠিন চ্যালেঞ্জ।
বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমে গোল খাওয়ার পর ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ার স্মৃতি ব্রাজিলের জন্য এখন এক সুদূর অতীত। ২০১৪ সালের পর থেকে গত তিনটি বিশ্বকাপে (২০১৪, ২০১৮, ২০২২) প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি সেলেসাওরা।
বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিলের শেষ জয়ের রেকর্ডটি এসেছিল এক যুগ আগে—২০১৪ সালের ১২ জুন, ঘরের মাঠে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে।
সেই ম্যাচে ১১ মিনিটের মাথায় মার্সেলোর এক আত্মঘাতী গোলে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো ব্রাজিল। তবে মারাকানার সেই চাপ সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সেলেসাওরা। নেইমারের জাদুকরী জোড়া গোল এবং ম্যাচের শেষ মুহূর্তে অস্কারের দুর্দান্ত এক স্ট্রাইকে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল স্বাগতিকরা।
আজ ২০২৬ বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে ২৯ মিনিটে পিছিয়ে পড়ার পর আবারও সেই একই ভূত চেপে বসেছে ব্রাজিলের ঘাড়ে। গত এক যুগে বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমে গোল খাওয়ার পর যে জয় অধরা থেকে গেছে, আনচেলত্তির শিষ্যরা কি আজ হিউস্টনে সেই ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ১২ বছরের খরা কাটাতে পারবে? উত্তর দেবে দ্বিতীয়ার্ধের মাঠের লড়াই।