‘হ্যান্ড অব গডের’ ৪০ বছর পূর্তি আজ, যে রাতে অমর হয়েছিলেন ম্যারাডোনা

২২ জুন ২০২৬, ১১:৫৯ AM , আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:০২ PM
ম্যারাডোনার অতি মানবীয় দুই গোল

ম্যারাডোনার অতি মানবীয় দুই গোল © সংগৃহীত

আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগের এক জাদুকরী রাতে বিশ্ব ফুটবলের আঙিনায় অমরত্ব পেয়েছিলেন ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের সেই ঐতিহাসিক ২২শে জুনের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি কেবলই কোনো ফুটবল ম্যাচ ছিল না, বরং তা আর্জেন্টিনার ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়ে পরিণত হয়েছিল। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বিশ্লেষকেরা আজ চার দশক পূর্তিতে এসে আবারও ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে ম্যারাডোনা, মালভিনাস যুদ্ধ এবং ইংল্যান্ডের সাথে চিরবৈরিতা সেই ফুটবল দ্বৈরথকে আর্জেন্টিনার জাতীয় অস্তিত্বের প্রতীক বানিয়ে তুলেছিল।

মেক্সিকোর অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যারাডোনার সেই অবিশ্বাস্য দ্বিতীয় গোলের পর উরুগুয়ের ধারাভাষ্যকার ভিক্টর হুগো মোরালেসের আবেগঘন কণ্ঠস্বর আজও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের গায়ে কাঁটা দেয়। তিনি সেদিন মাইক্রোফোনে চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘এই দৃশ্য দেখে শুধু কাঁদতেই ইচ্ছে করছে, আপনারা প্লিজ আমাকে ক্ষমা করবেন! ম্যারাডোনা এক অবিস্মরণীয় দৌড়ে সর্বকালের সেরা গোলটি করলেন। ওগো মহাজাগতিক ধূমকেতু, তুমি কোন গ্রহ থেকে এসেছ? তুমি এত এত ইংরেজ খেলোয়াড়কে যেভাবে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলে, তাতে আজ পুরো দেশ একটা বজ্রমুষ্টি হয়ে আর্জেন্টিনার জন্য চিৎকার করছে। আর্জেন্টিনা ২, ইংল্যান্ড ০। ডিয়েগোল, ডিয়েগোল, দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা। ফুটবল দেওয়ার জন্য, ম্যারাডোনাকে পাঠানোর জন্য এবং এই আনন্দঅশ্রুর জন্য ঈশ্বর তোমাকে ধন্যবাদ। আর্জেন্টিনা ২, ইংল্যান্ড ০।’ ধারাভাষ্যের এই প্রতিটি শব্দ আজও প্রমাণ করে যে, সেই ম্যাচ আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে ফুটবলের সীমানা ছাড়িয়ে এক পরম আবেগ হয়ে উঠেছিল।

চলতি ২০২৬ সালের ২২শে জুন, আর্জেন্টিনা যখন আবারও বিশ্বকাপের একটি মহাগুরত্বপূর্ণ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের ড্যালাসের এরিনায় অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই দেশটিতে ঘুরে ফিরে আসছে ৪০ বছর আগের সেই আর্জেন্টিনা ২-১ ইংল্যান্ড ম্যাচের স্মৃতি। আজকের ম্যাচটি গ্লোবো, স্পোর্টভি, জিই টিভিসহ জিই-তে সরাসরি দেখা যাচ্ছে। তবে আর্জেন্টাইনদের মনের বড় অংশ জুড়ে আজ কেবলই ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি গোল। যার একটি ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দেওয়া ‘হ্যান্ড অব গড’ বা ‘ঈশ্বরের হাত’ এবং অন্যটি ডিফেন্ডারদের নাচিয়ে করা ‘শতাব্দীর সেরা গোল’। যারা সেই সময়টি কাছ থেকে দেখেছেন, তাদের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব চিরকালই আলাদা। কারণ এই ম্যাচের পরতে পরতে জড়িয়ে আছে মালভিনাস যুদ্ধের ক্ষত, ব্রিটিশদের সাথে ঐতিহাসিক শত্রুতা এবং আর্জেন্টিনার নিজস্ব জাতীয় আত্মপরিচয়।

এই ঐতিহাসিক রাতের গুরুত্ব ও গভীরতা বোঝার জন্য ক্রীড়া মাধ্যম ‘জিই’ সম্প্রতি কথা বলেছে ‘ডায়েরিও ওলে’-র মার্তিন মাচিয়াভেলো, ‘ফক্স Sports আর্জেন্টিনা’-র ওয়ালি প্রিমোসিচ এবং প্রখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক এজেকুয়েল ফার্নান্দেজ মুরসের সাথে। তারা বিশদভাবে তুলে ধরেছেন কেন এই ম্যাচটি আর্জেন্টিনার ক্রীড়া ও সংস্কৃতির ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্রতীক হয়ে আজও বেঁচে আছে।

সাংবাদিক ফার্নান্দেজ মুরস মেক্সিকোর স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি সেই ম্যাচটি উপভোগ করেছিলেন। তার মতে, ম্যারাডোনা যে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করেছিলেন, তা আসলে আর্জেন্টিনার মানুষের ভেতরের খাঁটি চরিত্রকেই বিশ্বমঞ্চে ফুটিয়ে তোলে। মাঠের একদম কাছ থেকে সেই দৃশ্য দেখার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি একদম কাছ থেকে পুরো ঘটনাটি দেখেছি এবং ম্যারাডোনার হাতের ছোঁয়া পরিষ্কার লক্ষ্য করেছি। আমরা সাংবাদিকেরা তখন এটা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করছিলাম যে এটি হাত ছিল কি না। কিন্তু ঠিক পাঁচ মিনিট পরেই ম্যারাডোনার সেই অবিশ্বাস্য জাদুকরী গোলটি আসে। সেই গোলের পর আমাদের সব বিতর্ক নিমিষেই মিলিয়ে যায়।’ তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘এটি আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুতবপূর্ণ ম্যাচ। এটি কোনো ফাইনাল ম্যাচ ছিল না বা এর মাধ্যমে কোনো বিশ্বকাপ ট্রফি আসেনি। তবুও এই ম্যাচের ওই পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আমাদের ফুটবলের একটা বড় অংশ লুকিয়ে আছে। এর মধ্যে আছে চাতুর্য আছে, আছে তাৎক্ষণিক বুদ্ধি এবং একই সাথে সৌন্দর্য ও শিল্পকলা।’

আর্জেন্টাইনদের কাছে এই দুই গোলের মেলবন্ধন আসলে এক অদ্ভুত ভালো লাগার জায়গা। প্রথম গোলটি করার সময় ম্যারাডোনা ইংলিশ গোলরক্ষক পিটার শিলটনের মাথার ওপর দিয়ে হাত দিয়ে বল ঠেলে জালে জড়িয়েছিলেন, যা পরে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। কিন্তু তার ঠিক কয়েক মিনিট পরই মাঝমাঠ থেকে একাই বল নিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে ছুটে যান এই ১০ নম্বর জার্সিধারী। একে একে পাঁচজন ইংলিশ ডিফেন্ডারকে ড্রিবলিংয়ের মায়াজালে কাটিয়ে ম্যারাডোনা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে চোখ ধাঁধানো গোলটি উপহার দেন। ম্যাচের ৪০ মিনিটে গ্যারি লিনেকার ইংল্যান্ডের হয়ে একটি গোল শোধ করলে শেষ দিকে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।

সেই প্রথম গোলটি নিয়ে ওলে-র সাংবাদিক মার্তিন মাচিয়াভেলো বলেন, ‘ গোলটি বা ‘হ্যান্ড অব গড’ ছিল মূলত এক ধরণের বিদ্রোহ এবং নিয়মকে ফাঁকি দেওয়া। মজার ব্যাপার হলো, এই নিয়মগুলো কিন্তু ইংরেজদেরই তৈরি করা ছিল।’ তিনি আরও জানান, আর্জেন্টিনার একটি পুরনো লোককথা এই গোলটিকে সাধারণ মানুষের মজ্জায় জায়গা করে নিতে সাহায্য করেছে। তার ভাষায়, ‘আমাদের একটি প্রচলিত কথা আছে—‘যেখানে নিয়ম তৈরি হয়, সেখানেই নিয়ম ভাঙার ফাঁদও তৈরি হয়’। আমরা কিছুটা এই রকমই। প্রথম গোলটিতে ছিল কিছুটা চাতুর্য আর দ্বিতীয়টিতে ছিল খাটি জিনিয়াসের ছোঁয়া। ১-০ গোলের সময় ছিল কিছুটা ম্যালানি বা চাতুরি, ২-০ গোলের সময় ছিল নান্দনিকতা, আর ২-১ গোলের পর ছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা খাঁটি আর্জেন্টিনা। ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী কোচ সিজার লুইস মেনত্তি সবসময় একটি কথা বলতেন যা আমাদের খুব ভালো মানায়—‘মানুষ যেভাবে জীবনযাপন করে, মাঠে সেভাবেই খেলে।’

এই চাতুর্যের গভীর ব্যাখ্যা দিয়ে লেখক এজেকুয়েল ফার্নান্দেজ মুরস বলেন, ‘আমরা ফুটবলকে একটি চিরন্তন ছলাকলা বা মায়ার খেলা হিসেবে দেখি। এই মায়ার খেলায় অনেক সময় চাতুর্য আর প্রতারণার মধ্যকার সীমানাটি খুব সূক্ষ্ম হয়ে যায়। ডিয়েগোর সেই গোলটি আসলে কোনো পরিকল্পিত প্রতারণা ছিল না, ওটি ছিল টিকে থাকার লড়াইয়ের একটি তাৎক্ষণিক মানবিক তাড়না।’

আসলে এই ম্যাচের পেছনের তীব্র সামাজিক ও রাজনৈতিক আবেগের মূল কারণ ছিল ১৯৮২ সালের মালভিনাস যুদ্ধ (ফকল্যান্ডস যুদ্ধ)। দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে হওয়া মাত্র দুই মাসের সেই যুদ্ধে ব্রিটিশরা জয়ী হয়, যা শত শত আর্জেন্টাইন সেনার প্রাণ কেড়ে নেয় এবং দেশটিতে গভীর সামাজিক ক্ষত তৈরি করে। মাচিয়াভেলো ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের সময় ১২ বছরের এক কিশোর ছিলেন। তিনি স্পষ্ট মনে করতে পারেন যে, মাঠের ভেতর ইংলিশ খেলোয়াড়েরা আর্জেন্টিনার সাথে খারাপ কিছু না করলেও, মাঠের বাইরে এক ধরণের প্রতিশোধের আগুন ও বিশাল মানসিক চাপ কাজ করছিল। এমনকি ছোট ছোট বাচ্চারাও তখন বুঝত যে মালভিনাস যুদ্ধের ক্ষতে প্রলেপ দিতে এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারানো কতটা জরুরি ছিল।

সাংবাদিক ওয়ালি প্রিমোসিচও মনে করেন এই ম্যাচের গভীরতা বুঝতে হলে পেছনের ইতিহাস জানা আবশ্যক। তিনি বলেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবল ও সংস্কৃতির ইতিহাসে এটি একটি অনন্য ঘটনা। কারণ এর সাথে শুধু ম্যারাডোনা নন, মালভিনাস যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটও সরাসরি জড়িয়ে আছে।’ ফার্নান্দেজ মুরস এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখিয়ে বলেন, ‘মালভিনাস যুদ্ধের ঠিক চার বছর পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি হয়েছিল। তাই দুই দেশের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাজ করছিল। একই সাথে একটি মনস্তাত্ত্বিক সংযোগও ছিল। কারণ ইংরেজরাই ফুটবল খেলা তৈরি করেছে এবং এর নিয়মকানুন বেঁধে দিয়েছে। ফলে ফুটবলের সেই ‘আদি জনক’কে তাদেরই খেলায় হারানোর একটা বড় তাগিদ আমাদের ছিল। আমরা তাদের আমাদের নিজস্ব ঘরানার শৈল্পিক ও চতুর ফুটবল দিয়ে হারাতে চেয়েছিলাম। এই জয় আমাদের মনে এক বিশাল আত্মমর্যাদা এনে দিয়েছিল।’

ঠিক এই কারণেই আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে এই জয়টি কেবল খেলার মাঠের ৩ পয়েন্ট বা সেমিফাইনালের টিকিট ছিল না; এটি ছিল ফুটবলের সবুজ গালিচায় নেওয়া এক পরম প্রতীকী প্রতিশোধ। আর এই মহাকাব্যিক প্রতিশোধের একমাত্র নায়ক ছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, যিনি ২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে মারা যান। প্রিমোসিচ সংক্ষেপে বলেন, ‘এই একটি ম্যাচই পুরো দেশের কাছে ম্যারাডোনার প্রতি অন্ধ ভালোবাসা এবং তার জাদুকরী শ্রেষ্ঠত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এটি ছিল একজন মর্ত্যের ঈশ্বরের হাত ধরে আসা এক নান্দনিক প্রতিশোধ।’ তার এই বক্তব্যের সাথে সুর মিলিয়ে মার্তিন মাচিয়াভেলো বলেন, ‘একটি অদৃশ্য দেয়াল ছিল যা ডিয়েগো সবসময় ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতেন। আমাদের কাছে তিনি ছিলেন একজন আসল নায়ক এবং একজন খাঁটি বিপ্লবী ইনসাফকারী।’

সাংবাদিকদের মতে, প্রতীকী অর্থে এই ম্যাচটিই আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ম্যাচ। আর এই কারণেই ম্যাচটির প্রতিটি মুহূর্ত আজ এত বছর পরেও বিভিন্ন গান, তথ্যচিত্র, ক্রীড়া অনুষ্ঠান এবং দেয়ালচিত্রের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের মনে জীবন্ত রয়েছে। এই গল্প আজ প্রবীণদের কাছ থেকে নবীনদের মাঝে পরম মমতায় ছড়াচ্ছে। মাচিয়াভেলো বলেন, ‘বাবা-মায়েরা কীভাবে সন্তানদের কাছে এই গল্প বলেন তা আমি ঠিক জানি না। তবে আজকের তরুণ প্রজন্ম ডিয়েগোকে নিয়ে এমনভাবে কথা বলে যেন তারা নিজেরাই সেই ম্যাচটি লাইভ দেখেছিল। ম্যারাডোনা আমাদের কাছে এক চিরন্তন স্মৃতির নাম। তিনি ফুটবলের ভেতরে ও বাইরে আমাদের এক পরম প্রতীক।’ ফার্নান্দেজ মুরস এই ফুটবল ঈশ্বরকে স্মরণ করে বলেন, ‘বিখ্যাত লেখক এদুয়ার্দো গালেয়ানো ম্যারাডোনাকে ‘সবচেয়ে মানবিক ঈশ্বর’ বলে ডাকতেন। আর এই কারণেই তাকে নিয়ে আমাদের এত শত স্মৃতি।’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই অতিপ্রাকৃতিক জয়টি আর্জেন্টিনার সেই দলটির আত্মবিশ্বাস ও চেহারাই পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল। ম্যারাডোনার এই দুই গোলের ওপর ভর করে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ওঠে এবং সেখানে তারা বেলজিয়ামকে ২-০ গোলে হারায়, যেখানেও ম্যারাডোনা একাই দুটি গোল করেছিলেন। এরপর ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির শক্তিশালী প্রাচীর ভেঙে ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে আর্জেন্টিনা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেছিল। চার দশক পর আজকের তরুণ প্রজন্ম হয়তো ১৯৮৬ সালের সেই হুবহু রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষোভ পুরোপুরি অনুভব করতে পারবে না, তবুও এই ঐতিহাসিক লড়াইয়ের স্মৃতি আর্জেন্টিনার বুকে চিরকাল অম্লান থাকবে। ফার্নান্দেজ মুরস সবশেষে বলেন, ‘আমাদের দেশের সাধারণ সংস্কৃতি ও লোকগাথাই প্রতিদিন এই স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করছে।’

জীবনের জন্য আইসিইউতে ১৩ দিনের লড়াই, থেমেই গেল রাফির জীবন
  • ২২ জুন ২০২৬
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ব্যর্থ হয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা ডিজির কাছে …
  • ২২ জুন ২০২৬
‎ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ববি প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’, কড়া নজর…
  • ২২ জুন ২০২৬
জটিল সমীকরণের সামনে স্পেন-উরুগুয়ে, ঝুলছে নকআউট ভাগ্যও
  • ২২ জুন ২০২৬
ববি শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা বিষয়ক বুটক্যা…
  • ২২ জুন ২০২৬
শেষ হচ্ছে অপেক্ষার পালা, প্রাথমিক বৃত্তির ফল নিয়ে সুখবর দিল…
  • ২২ জুন ২০২৬