কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে © সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা স্প্যানিশ সমর্থকরা যদি নিজেদের জন্য সবচেয়ে নিখুঁত কোনো ম্যাচের স্বপ্ন দেখে থাকেন, তবে সৌদি আরবের বিপক্ষের এই লড়াইটি ছিল ঠিক তেমনই। প্রথম ‘হাইড্রেশন ব্রেক’-এর আগেই ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। মাঠের নিয়ন্ত্রণ এতটাই স্পেনের হাতে ছিল যে, সমালোচকরা রসিকতা করে বলছেন—আজ গোলরক্ষক ছাড়াও অনায়াসে জিতে যেত দে লা ফুয়েন্তের দল!
এই অসাধারণ জয়টি স্প্যানিশ শিবিরে এসেছে এক দারুণ উৎসবের আবহে। আসলে এই সময়টা স্পেনের ডাগআউট ও স্কোয়াডে জন্মদিনের ধুম লেগেছে। আজই ৬৫ বছরে পা দিলেন প্রধান কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তার এই বিশেষ দিনটিতে শিষ্যরা মাঠের পারফরম্যান্সে এর চেয়ে বড় উপহার আর কী-ই বা দিতে পারতেন! উৎসবের আমেজ অবশ্য এখানেই শেষ নয়; গতকালই ২৩ বছর পূর্ণ করেছেন ডিফেন্ডার মার্ক পুবিল এবং আগামীকাল ৩০ বছরে পা দিতে যাচ্ছেন মাঝমাঠের জেনারেল রদ্রি। টানা তিন দিনের এই উদযাপনের মাঝে সৌদির বিপক্ষে এমন বিধ্বংসী জয় স্প্যানিশ শিবিরে আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধ যতটা রোমাঞ্চকর ছিল, দ্বিতীয়ার্ধ অবশ্য ততটা গতিশীল ছিল না। তবে দে লা ফুয়েন্তের জন্য এই সময়টুকু ছিল ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় তিনি দলের প্রধান খেলোয়াড়দের বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
একই সাথে ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরার লড়াইয়ে থাকা নিকো উইলিয়ামস, ফাবিয়ান রুইজ এবং মিকেল মেরিনোকে মাঠে নামিয়ে কিছুটা ম্যাচ প্র্যাকটিস করিয়ে নিয়েছেন। লামিন ইয়ামালের মতোই এই তিন তারকা চোট কাটিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন, যা টুর্নামেন্টের পরের ম্যাচগুলোর আগে স্পেনের বেঞ্চের ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তুলল।