সার্টিফিকেট-মার্কশিটে ভুল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সতর্কতা

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪০ PM , আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৮ PM
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড © ফাইল ছবি

শিক্ষার্থীদের নাম, বাবা-মায়ের নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে এসব তথ্য পরিবর্তনের প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। একই সঙ্গে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্সরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

শিক্ষা বোর্ড বলছে, শিক্ষার্থীর নিজ নাম, পিতা-মাতার নাম ও জন্মতারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনের আবেদন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তথ্য পরিবর্তনের প্রবণতা বিষয়টিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

বোর্ডের মতে, এসব তথ্যের ভুল শুধু প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করে না; এর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা, কর্মজীবন এবং সরকারি নথিপত্রের নির্ভুলতাও সরাসরি জড়িত। তাই তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসতর্কতা বা অবহেলা কাম্য নয়।

জরুরি বিজ্ঞপ্তিতেতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশনের সময় জন্ম নিবন্ধন সনদ ও অন্যান্য প্রমাণিক দলিল যথাযথভাবে যাচাই না করে কোনো তথ্য লিপিবদ্ধ বা বোর্ডে প্রেরণ করা যাবে না। প্রতিষ্ঠানের রেকর্ডে তথ্য সংরক্ষণ এবং বোর্ডে তথ্য প্রেরণের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করে বলা হয়েছে, সন্তানের বয়স কমানো বা বাড়ানো, নিজ নাম, বাবা-মার নাম পরিবর্তন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্যে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, একটি ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া, সময় ও বিভিন্ন প্রামানিক দলিলের প্রয়োজন হতে পারে। তাই শুরুতেই সঠিক তথ্য প্রদান করুন।

শিক্ষার্থীদের প্রতি সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রেশন ও পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় নিজের নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মার নামসহ সব তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করুন। ভুল তথ্য দেখতে পেলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জানান। পরীক্ষার ফল বা সনদ প্রকাশের পর তথ্য সংশোধনের উদ্যোগ নিলে বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে। একটি বিষয় সবাইকে মনে রাখতে হবে নিজ নাম, বাবা-মার নাম ও জন্মতারিখ পরিবর্তন কোনো স্বাভাবিক বা নিয়মিত বিষয় নয়। সংশোধনের আবেদন অবশ্যই যথাযথ কারণ ও প্রামাণিক দলিলের ভিত্তিতে হতে হবে। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সুবিধা, চাকরির বয়সসীমা, বিদেশে যাওয়া কিংবা অন্য কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে তথ্য পরিবর্তনের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।

সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে, তথ্য পরিবর্তনের প্রবণতা পরিহার করে, তথ্য প্রদানের শুরুতেই নির্ভুলতা নিশ্চিত করুন। শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। সঠিক তথ্য দিন, সঠিক তথ্য সংরক্ষণ করুন, শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিরাপদ রাখুন।

ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসে সরাসরি ভাইভা দিয়ে চাকরি, কেন্দ্…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
মোটরসাইকেল গতিরোধ করে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
রংপুরে ৪ খুনে জড়িত সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্ত…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
ভিকারুননিসায় একাদশে ভর্তি আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর, জানা গেল…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরে নারী অপহরণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ…
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞতায় চাকরি দেবে সিটি ব্যাংক
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬