নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সভায় অনুপস্থিত অর্ধেকের বেশি নেতা

১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ PM , আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫১ PM
নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগাঠনিক সভা।

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগাঠনিক সভা। © টিডিসি ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, সাম্প্রতিক দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কার ও বলয়ভিত্তিক মতপার্থক্যের টানাপোড়েনে দিন দিন ঝিমিয়ে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের রাজনৈতিক কার্যক্রম। দলীয় কোন্দল আর প্রকাশ্য বিরোধের কারণে সম্প্রতি সংগঠনটির এক সাংগঠনিক সভায় ৬০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ৩৫ জনই অনুপস্থিত ছিলেন। শাখা ছাত্রদলের মিটিংয়ে কমিটির নেতারা উপস্থিত হচ্ছেন না কেন, তা নিয়ে সাধারণ কর্মীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে। 

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি সেমিনার কক্ষে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের দ্বিতীয় সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রদলকে গতিশীল ও সুসংগঠিত করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে সভার ডাক দেওয়া হলেও বাস্তবে সেখানে চিত্রটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। ৬০ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির বিপরীতে উপস্থিত ছিলেন অর্ধেকেরও কম নেতাকর্মী। 

​তৃণমূলের দাবি, একাডেমিক বা ব্যক্তিগত কারণ যা-ই দেখানো হোক না কেন, দীর্ঘদিনের বলয়ভিত্তিক রাজনীতি ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গণ্ডির প্রভাব তৈরি হওয়ায় ভেতরে ভেতরে দূরত্ব বাড়ছে। পদধারী নেতাদের একটা বড় অংশ দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা মনে করে নিজেদের গুটিয়ে রাখছেন।

​তবে এই বিপুল অনুপস্থিতির বিষয়টিকে স্বাভাবিক ও ব্যক্তিগত ব্যস্ততা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘সবাই কি আর প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকে? অনেকে নোয়াখালীতে নেই, বাড়িতে আছে, আবার কারও সেমিস্টার পরীক্ষা ছিল। তারা আমাদের তাদের সমস্যার কথা জানিয়েছে।’

এদিকে ছাত্রদল ​সভাপতি উপস্থিতির এই ঘাটতিকে পরীক্ষা বা শারীরিক অসুস্থতার দোহাই দিলেও, গুরুত্বপূর্ণ সভায় কমিটির অভিজ্ঞ ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বড় অংশের একের পর এক মুখ ফিরিয়ে রাখা সাধারণ ঘটনা নয় বলে মনে করছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল ছাত্রদলের নেতৃত্বে অছাত্র, পড়াশোনা শেষ ৮ বছর আগে

তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন বলেন, ‘সাংগঠনিকভাবে এত বিপুলসংখ্যক নেতার একসঙ্গে অনুপস্থিত থাকা সাধারণ কোনো বিষয় বলে মনে হয় না। সাম্প্রতিক সময়ে দুই নেতার বহিষ্কারের বিষয়টি দায়িত্বশীলদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আবার বর্তমান নেতৃত্বের গতিপথ কিংবা সামগ্রিক পরিবেশের প্রতি অনিচ্ছাও এর কারণ হতে পারে।’

​প্রসঙ্গত, গত ২ আগস্ট সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওনকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এর আগে এপ্রিল মাসে সাবেক উপাচার্যের পদত্যাগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর অপর বলয়ের চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটে, যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্র থেকে পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছিল।

চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে শ্রমিকের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইয়ার্ডে…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
জাহাজ ভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ, যে কারণ জানাল ফায়ার সার্ভিস 
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
যুবকদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমে আসবে: যুব ও ক্রীড…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সাংগঠনিক সভায় অনুপস্থিত অর্ধেকের বেশি ন…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশে গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ কী এবং সমাধানে সরকার কী…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল ১০০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কাল, উদ্বোধন…
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬