যবিপ্রবিতে কুকুরের কামড়ে আহত শিক্ষার্থী, আতঙ্কে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ PM
চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহত শিক্ষার্থী

চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহত শিক্ষার্থী © টিডিসি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অভ্যন্তরে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন এক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, একাডেমিক ভবন,  হল ও হলের রাস্তা এবং ক্যাফেটেরিয়ার আশপাশে হিংস্র কুকুর কর্তৃক আক্রমণ ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে। এ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে যবিপ্রবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত বিন খালিদ নামের এক শিক্ষার্থীকে পায়ে কামড় দেয় দলবদ্ধ কুকুর। 

প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার রাত সাড়ে আটটার সময় ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে হঠাৎ একদল কুকুর রিফাতকে ঘিরে ধরে। এক পর্যায়ে তার মধ্যে থেকে কালো রঙের একটি কুকুর তার দিকে তেড়ে এসে কামড় দেয়। পরে সহপাঠীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।

কুকুর আতঙ্কে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত আহমেদ বাপ্পী বলেন, ‘২-৩ দিন আগে সন্ধ্যায় জগদীশ চন্দ্র একাডেমিক ভবনের পাশে আমরা দুজন বন্ধু বসে ছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কুকুর হিংস্রভাবে ধাওয়া করে। কোনোমতে দৌড় দিয়ে বাঁচতে চাইলে কুকুরগুলো তীব্র বেগে পেছন থেকে দৌড়ে এসে আবার আক্রমণ করার চেষ্টা করে, পরে ঢিল মেরে কোনোমতে আত্মরক্ষা করি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যবিপ্রবির এক শিক্ষক বলেন, দিন দিন কুকুরগুলো হিংস্র হয়ে উঠছে। ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাচ্চাদের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কুকুরের আক্রমণের বিষয়টি বাচ্চাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের আতঙ্কিত করছে। এ ছাড়া এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে আমরা চিন্তিত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত দ্রুততম সময়ে কুকুরের বিষয়ের যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ফাহিম খান রাতুল নামের এক শিক্ষার্থী তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, কুকুরের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নিলে পশু প্রেমীরা এমনকি শিক্ষকরাও প্রতিবাদ করে বসেন।কিন্তু নিয়মিত কুকুরের আক্রমনে শিক্ষার্থীরা আহত হলে, তখন প্রশাসন চুপ থাকে কেন?

মাহমুদুল হাসান নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, কুকুর নিয়ে প্রশাসন আছে আরেক সমস্যায়। কুকুর মারলে হয় আন্দোলন। আবার না ব্যবস্থা নিলে হয় কুকুরের আক্রমণ। প্রশাসনের উচিত একটি মধ্যমপন্থী ব্যবস্থা নেওয়া, যাতে করে আতঙ্কগ্রস্ত ও পশুপ্রেমীরা সন্তুষ্ট থাকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিকিউরিটি অ্যা ন্ড স্টেট শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার ড. মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রতি সপ্তাহে চেষ্টা করি স্টাফদের দিয়ে কুকুরগুলোকে তাড়িয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেই। বর্তমানে আগের মতো বেশি কুকুর দেখা যায় না খুব একটা। কুকুর মারা অপরাধ। এ জন্য হিংস্র হলেও আমরা মারতে পারি না। আর ভ্যাক্সিন দিয়ে প্রতিকারের বিষয়টি কর্তৃৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে যে সিদ্ধান্ত হয় শনিবারে জানিয়ে দেব।’

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: তদন্তে ৩০টির বেশি সুপারিশ, বা…
  • ২১ জুলাই ২০২৬
আন্দোলনের সময় গুপ্তদের অনেক খুঁজেছি, কিন্তু পাইনি: তারেক রহ…
  • ২১ জুলাই ২০২৬
‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষও চিনে তারা কারা: …
  • ২১ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে আবাসিক হোটেল থেকে পাঁচ নারীসহ আটক ১১
  • ২০ জুলাই ২০২৬
আন্দোলন শরিক নেতাদের কাছে দুঃখপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ২০ জুলাই ২০২৬
অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্…
  • ২০ জুলাই ২০২৬