নিয়োগে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলেন নোবিপ্রবি উপাচার্য

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৯ PM
মতবিনিময় সভায় উপাচার্য

মতবিনিময় সভায় উপাচার্য © সংগৃহীত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন নিয়োগের বৈধতা নিয়ে ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ও অবকাঠামোগত সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই চ্যালেঞ্জ দেন উপাচার্য।

এর আগে গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের একাংশ।

নোবিপ্রবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয়করণের যে অভিযোগ উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে মতবিনিময় সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমাদের শেষ যে দশজন প্রার্থীকে ভাইবা বোর্ডে ডেকেছি সেই দশজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় কত পেয়েছে তা আছে, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় কত পেয়েছে সেটাও আছে, মৌখিক পরীক্ষায় প্রেজেন্টেশনে কত পেয়েছে সেটাও আছে এবং সেখানে যারা নিয়োগ বোর্ডের মেম্বার আছেন সব নিয়োগ বোর্ডের মেম্বারদের সিগনেচার দেওয়া আছে।

তিনি আরো বলেন, এখন আপনি (অভিযোগকারী শিক্ষকগণ) লিখিত পরীক্ষার খাতা কেটছেন, লিখিত পরীক্ষায় ডিউটি দিয়েছেন, লিখিত পরীক্ষার খাতা কাটার পর ডিউটি দেওয়ার পর লিখিত পরীক্ষার মার্কে আপনি সিগনেচার করছেন। সিগনেচার করার পরে যোগ্য প্রার্থীকে বিবেচনা করছেন, সেই বিবেচনায় রেজাল্ট পেয়ে নিয়োগ দিয়েছি। তারপরও যদি এখন এসে বলেন যে আমরা নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ব্যক্তিদের দিয়েছি এটা খুব দুঃখজনক।

উপাচার্য বলেন, আমরা মেধা এবং যোগ্যতাকে প্রায়োরিটি দিয়ে নিয়োগ দিয়েছি। এরমধ্যে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা- আমি আবার বলছি আমরা কোনো জাত, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র—কোনোটাকেই আমরা বিবেচনায় নিইনি। আমরা মেধার বিবেচনায় এই নিয়োগগুলো দিয়েছি।

তিনি চ্যালেঞ্জ করে বলেন, আপনারা যদি মনে করেন এগুলোর ডকুমেন্ট দেখবেন আমরা প্রস্তুত আছি। এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রেও ৩০ নম্বর লিখিত পরীক্ষা এবং ৩০ নম্বর প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষাগুলোতে আমি নিজেও যাইনি; আমার প্রোভিসি মহোদয়ের নেতৃত্বে যে রিলেটেড এক্সপার্ট আছে তারা প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় গিয়ে মার্ক দিয়েছে। তারপর সরকারিভাবে নির্ধারিত বোর্ড আছে এবং বোর্ড মেম্বারের মধ্যে যারা আছেন, বোর্ড মেম্বারের সর্বসম্মতিক্রমে ভাইবাতে যে মার্ক দিয়েছে। এই তিনটা মার্ক যোগ করে যেটা পেয়েছেন, সেই মার্কটা দিয়ে সর্বোচ্চ নম্বরের ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা কোনো কিছুই আমরা দেইনি।"

ওপেন চ্যালেঞ্জ দিয়ে নোবিপ্রবি উপাচার্য বলেন, আমরা অলওয়েজ চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলতে পারি আমরা নিয়োগে কোনো অনিয়ম করিনি। এ সংক্রান্ত একটা কপি সবসময় আমার অফিস থেকে আপনারা যদি চান কোন প্রার্থী কত নম্বর পেয়েছিল, আপনারা মোস্ট ওয়েলকাম।

রাজধানীতে নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের আত্মহত্যা
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
ছাত্রদল থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
শেরপুরে একই দিনে এক উপজেলা থেকে ৫ মরদেহ উদ্ধার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
যৌতুকের ৫০ লাখ টাকা না দেওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন, এসিল্যান্ড…
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে ডিএনএর মিল পাওয়া গেলো নবজাত…
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
বাবার লাশ রেখে সম্পত্তির বিরোধে দুই ভাইয়ের মারামারি, আহত ৪
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬