যবিপ্রবি’র দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার

২৪ অক্টোবর ২০১৮, ০৭:৩৪ PM
বাম থেকে বহিষ্কৃত ইসমে আজম শুভ এবং অন্তর দে শুভ

বাম থেকে বহিষ্কৃত ইসমে আজম শুভ এবং অন্তর দে শুভ © টিডিসি ফটো

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যাবিপ্রবি) দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে প্রশাসন।  বহিষ্কৃতরা হলেন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী অন্তর দে শুভ এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইসমে আজম শুভ। 

গত ১৩ অক্টোবর পিইএসএস বিভাগের ১ম বর্ষের ২য় সেমিস্টারের পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনার প্রেক্ষিতে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের আলোকে আজ মঙ্গলবার বিকালে যাবিপ্রবির উপাচার্য ওই দুই ছাত্রকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেন।

এ ছাড়া তাদেরকে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও মদদ দেওয়ায় পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী গোলাম রাব্বানী ও পিইএসএস বিভাগের আসিফ আল মাহমুদকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়। তাদের এ বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য পেশ করা হবে। বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে অবস্থান করতে পারবে না বলে উপাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন। 

যবিপ্রবি উপাচার্য বরাবর দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ১ম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্তর দে শুভ পরীক্ষা দেওয়ার শর্ত পূরণ না করায় নিজে পরীক্ষা দিতে পারেননি। ফলে তার অন্য সহপাঠীদেরকেও পরীক্ষা দিতে বাধা দেন তিনি। পরীক্ষা শুরুর আগে অন্তর দে শুভ, ইসমে আজম শুভ, আসিফ আল মাহমুদ ও গোলাম রব্বানী পিইএসএস বিভাগের অফিস কক্ষে এসে কর্মচারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। তারা উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

বিভাগীয় বিভাগীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থীর ক্লাসে উপস্থিতি ৫০ শতাংশ না হলে কেউ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। এ প্রেক্ষিতে অন্তর দে শুভসহ মোট তিনজন পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানোর পর অন্তর দে শুভ ‘আমাকে যদি পরীক্ষা দিতে না দেওয়া হয়, তবে কেউ পরীক্ষা দেবে না’ বলে হুমকি দেয়। পরে অন্তর দে, ইসমে আজম শুভ, গোলাম রব্বানী ও আসিফ আল মাহমুদ ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেয়। ওই সময়  সহকারী প্রক্টর ড. মোঃ আমজাদ হোসেন সেখানে গেলে তাঁর সঙ্গে রাস্তায় অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা অশোভন আচরণ করে। 

পরে ২৩ অক্টোবর ১ম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে খবর পাওয়া যায় যে, অন্তর দে শুভ ও ইসমে আজম শুভর নেতৃত্বে পরীক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় নিকটস্থ আমবটতলা বাজারে আটকে রাখা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই ওই দুজন ১ম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার্থীদের যশোর শহরস্থ হোটেল হাসান ইন্টারন্যাশনালে নিয়ে আটকে রাখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এ ঘটনার সত্যতা পায়। এর আগে গত ১৮ জুলাই উক্ত শিক্ষার্থীরা চাঁদা দাবি করে ‘বিডিরেন’র কিছু মালামাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেয়। ওই সময় তাদেরকে চূড়ান্ত সতর্কীকরণের নোটিশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও তারা সংশোধিত হয়নি। 

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ঐতিহাসিক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
সে হয়ত না ‍বুঝে করেছে—মঞ্চে বোতল নিক্ষেপ নিয়ে গায়ক হাসান
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল ক্যাম্পাস গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
‘খুনী’-আওয়ামীপন্থি শিক্ষকরা থাকছেন সিনেটে, বয়কটের ঘোষণা দিল…
  • ০৮ আগস্ট ২০২৬
কনস্টেবলের মতোও লাগে না—ওসিকে যুবদল আহ্বায়ক
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
সাকিবের সব রেকর্ড মুছে ফেলুন, বিসিবিকে শফিকুল
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬