পাঠ্যবইয়ে দাঁড়িপাল্লা বিতর্কের মধ্যেই এনসিটিবি কর্মকর্তাকে খাগড়াছড়ি বদলি

২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ PM , আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ PM
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড © টিডিসি সম্পাদিত

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এক কর্মকর্তাকে খাগড়াছড়ি বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৮ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বদলি হওয়া কর্মকর্তা মু. আব্দুল্লাহ আল যোবায়ের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) প্রেষণে গবেষণা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে তাদের নামের পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি বা পদায়ন করা হলো। বর্ণিত কর্মকর্তারা আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হবেন। 

অন্যথায় একই তারিখ অপরাহ্নে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হবেন মর্মে গণ্য হবে। বর্ণিত কর্মকর্তা আবশ্যিকভাবে স্ব স্ব পিডিএস এ লগইনপূর্বক অবমুক্ত ও যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা নিয়ে বিতর্কের পর বই থেকে প্রতীকটি পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এরই অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে বইটির ছাপার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে চলে যাওয়া বই সংগ্রহ করে প্রতীক পরিবর্তনের পর আবার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মুদ্রণমালিকেরা জানিয়েছেন, বইটির ছাপা, বাঁধাই ও সরবরাহের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে পাঠানো বই সংগ্রহ করে সংশোধন করতে হলে বাড়তি খরচ ও সময় লাগবে।

আরও খবর: পদোন্নতির দাবিতে মাউশিতে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের অবস্থান

এ বিষয়ে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক অধ্যাপক মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, মাঠপর্যায়ে চলে যাওয়া বইগুলো সংগ্রহ করে প্রতীকটি পরিমার্জনের পর আবার শিক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করা হবে। আপাতত বইটির ছাপার কাজ বন্ধ রাখা এবং মাঠে পাঠানো বই সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের ‘উপাত্ত ও তথ্য’ পাঠে জ্ঞানের পিরামিডের ধারণা তুলে ধরা হয়েছে। পিরামিডটিতে নিচ থেকে ওপরের দিকে উপাত্ত, তথ্য, জ্ঞান ও প্রজ্ঞা—এই চারটি স্তর দেখানো হয়েছে। প্রতিটি স্তর বোঝাতে আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে।

উপাত্তের স্তরে রয়েছে পাই চার্ট বা ঘড়ির মতো দেখতে একটি বৃত্তাকার প্রতীক। তথ্যের স্তরে রয়েছে পরমাণু বা নেটওয়ার্কের মতো দেখতে একটি প্রতীক। জ্ঞানের স্তর বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি। আর পিরামিডের সর্বোচ্চ স্তর প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে দাঁড়িপাল্লা।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের প্রায় ৩৮ লাখ কপি ছাপানো হচ্ছে। এর বেশির ভাগই ইতিমধ্যে ছাপা হয়ে গেছে। এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য সব মিলিয়ে প্রায় ৩১ কোটি বই ছাপানোর কাজ চলছে।

৩৮৩ জনকে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি ক…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের ম্যাচ অফিসিয়াল যারা
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
ই-টিন থাকলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা, যা জানা যাচ্ছে
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
বিজেএস পরীক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিসের দাবিতে ইবি ছাত্রদল…
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬
হঠাৎ কেন গোলাপি জার্সি পরে মাঠে নামল পাকিস্তান?
  • ২৫ অক্টোবর ২০২৬