শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ PM , আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৭ PM
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য নিয়ে অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। আমি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে কিছু বলিনি। তারপরও কেউ যদি আহত হয়ে থাকেন, আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। এ সময় উপস্থিত সংসদ সদস্য টেবিল চাপড়ে মন্ত্রীর এই দুঃখপ্রকাশকে স্বাগত জানান।

মন্ত্রী বলেন, আজকে সংসদ ভবনের দিকে ছাত্ররা পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে এসেছে। এ ব্যাপারে আমরা অনেক পর্যালোচনা করে দেখেছি। গতকালকে ফিজিক্স, হিসাব বিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা পরীক্ষার সময় বৃষ্টি ছিল। এ কারণেই অনেকেই ভিজেছে এবং পরীক্ষা সঠিকভাবে দিতে পারেনি বলে কমপ্লেইন এসেছে।

আমরা যদিও সবসময় পর্যবেক্ষণের মধ্যেই ছিলাম। তারপরও এই পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি এসেছে । ইতোমধ্যে বন্যার কারণে আমরা চিটাগাং বোর্ডের প্রত্যেকটি জেলার পরীক্ষা বন্ধ করে দিয়েছি এবং আমাদেরকে পুনরায় পরীক্ষা নিতেই হবে। এই ক্ষেত্রে আমরা ভেবেচিন্তে দেখেছি যে চিটাগাং বোর্ডের পরীক্ষা আরেকটি প্রশ্নপত্র সেটে যখন আমরা নিতে যাব ফিজিক্স, হিসাব বিজ্ঞান এবং যুক্তিবিদ্যা। সেই সময়ে আমরা এই পরীক্ষাটি পুনরায় নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

এর আগে সম্পূরক প্রশ্নে রুমিন ফারহানা শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্ন করেন, কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহর জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা এক বা দুই দিন পেছানোর দাবি জানালেও তা করা হয়নি। তিনি জানতে চান, এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পেছাতে কী ধরনের সমস্যা ছিল।

তিনি বলেন, সারা দেশে ৬৪টি জেলায় প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে একযোগে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং পরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে। এ সময় ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি), আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সবাই তখন জানিয়েছিলেন যে আবহাওয়ার উন্নতি হবে এবং পরীক্ষা গ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ড. এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, পরদিন সকালে দেখা যায় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মাঠে পানি জমে গেছে। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কলেজের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, একজন পরীক্ষার্থীর পোশাক ভিজে যাওয়ায় তাকে বাড়ি থেকে পোশাক এনে পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়। ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা এক ঘণ্টা বিলম্বে শুরু করা হয় এবং পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ সময় নিশ্চিত করতে পরীক্ষার সময়ও এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। মন্ত্রী বলেন, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ ছাড়া দেশের অন্য কোথাও পরীক্ষা গ্রহণে কোনো ধরনের দুর্যোগজনিত সমস্যা হয়নি বলে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন।

নিজ জেলায় সড়ক অবরোধ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
নিজ জেলায় সড়ক অবরোধ করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
এরশাদের জন্ম না হলে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হতো না: জাতীয় পার্টির…
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল—প্রতিহত করতে গিয়ে মার খেলেন বিএ…
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
এআই অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের ইচ্ছা পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • ১৪ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence