শিক্ষা মন্ত্রণালয় © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন নিয়ে সভা ডেকেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভায় সফটওয়্যার উদ্বোধন করা হলেও নতুন করে কিছু ত্রুটি পাওয়ায় সেটি চালু হতে আরও সময় লাগবে বলে জানা গেছে।
শনিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বদলি সফটওয়্যার উদ্বোধন নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
সভা সূত্রে জানা গেছে, বদলি সফটওয়্যারে মেজর (গুরুতর) কোনো ত্রুটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ছোট ছোট কিছু ত্রুটি রয়েছে। এই ত্রুটিগুলো সংশোধন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ত্রুটিগুলো সংশোধনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের মাধ্যমে তা যাচাই করে সফটওয়্যার পুরোদমে চালু করা হবে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বদলি সফটওয়্যার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়েছে। কিছু ত্রুটি পাওয়ায় সফটওয়্যার চালু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগতে পারে।’
সফটওয়্যার অনুমোদন প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সফটওয়্যার আগেই অনুমোদন দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। নতুন করে অনুমোদনের কোনো বিষয় নেই। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রান করতে কিছুটা সময় লাগবে। বিষয়টি নিয়ে সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।’
এদিকে শনিবার বদলি সফটওয়্যার নিয়ে আয়োজিত সভায় সফটওয়্যারের ১৪টি ধাপ প্রদর্শিত হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং এই ধাপসমূহ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে বদলি আবেদন করতে হবে।
সভায় প্রদর্শিত হওয়া বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের জন্য চারটি ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথম ধাপে সফটওয়্যারের লিংকে প্রবেশ করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে সংশ্লিষ্ট প্রধানকে দেওয়া ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সফটওয়্যারে লগ-ইন করতে হবে।
সঠিকভাবে আইডি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ-ইন করার পর তৃতীয় ধাপে বদলি সফটওয়্যারের ড্যাশবোর্ড প্রদর্শিত হবে। চতুর্থ ধাপে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠানপ্রধানের তথ্য দেওয়ার পর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যক্রম শুরু হবে। উপজেলা শিক্ষা অফিসারকেও একইভাবে প্রথম ধাপে লিংকে প্রবেশ করতে হবে। দ্বিতীয় ধাপে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ-ইন করতে হবে। তৃতীয় ধাপে ড্যাশবোর্ড প্রদর্শিত হবে। চতুর্থ ধাপে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের দেওয়া তথ্য অপেক্ষমান তালিকায় দেখাবে। অপেক্ষমান তালিকায় ক্লিক করতে হবে।
৫ম ধাপে পদ ও শূন্য পদের তথ্য দিতে হবে। ৬ষ্ঠ ধাপে শিক্ষকদের তথ্য দিতে হবে। সপ্তম ধাপে স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলের তথ্য দিতে হবে। ৮ম ধাপে তথ্য যাচাই করে সাবমিট করতে হবে।
বদলি সফটওয়্যারের তথ্য অনুযায়ী অপেক্ষমান তালিকায় ক্লিক করে ভিউ বাটকে ক্লিক করতে হবে। প্রদত্ত তথ্য সঠিক থাকলে অনুমোদন বাটনে ক্লিক করতে হবে। তথ্য সঠিক না থাকলে প্রত্যাখ্যান বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর যাচাই হওয়া তালিকা দেখে সেটি ডাউনলোড করতে হবে।
বদলি সফটওয়্যারে জেলা শিক্ষা অফিসারদের কেবল উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দেওয়া তথ্য দেখা এবং আপডেট করতে হবে। জোনাল বা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালকেরা জেলা শিক্ষা অফিসারের পাঠানো তথ্যের সঠিকতা যাচাই করে সেটি আপডেট করবেন।