প্রাথমিকের শিক্ষার্থী © সংগৃহীত
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হতে পারে। আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন স্থগিত করে রাখা হয়েছে এই পরীক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) জানিয়েছে, পরীক্ষা ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনে নেওয়া হবে।
এবারের পরীক্ষায় পাঁচটি বিষয়ে মোট ৪০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। এর মধ্যে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকছে, আর প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৫০ নম্বর করে দেওয়া হবে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে সর্বশেষ বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) চালু হওয়ায় বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পিইসির ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো।
গত বছর আবার বৃত্তি পরীক্ষা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী কেবল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছিলেন। তবে বিষয়টি ‘বৈষম্যমূলক’ দাবি করে বেসরকারি বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন সংযুক্ত কিছু অভিভাবক ও শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে আদালত সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বেসরকারি ও অনুমোদিত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরও পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার নির্দেশ দেন। এর ফলে পরীক্ষার সময়সূচি স্থগিত হয়।
বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এবার ২০২৫ সালের স্থগিত থাকা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬ সালের এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে। এতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন।