সরকারি জরিপের তথ্য

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ৪৩ ভাগ দোয়েল ল্যাপটপ অকেজো

০৩ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:৫৩ PM
মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম © ফাইল ফটো

দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে নিম্নমানের ল্যপটপ ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৩ হাজার ৩৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা দেশি ব্র্যান্ড ‘দোয়েল’ ল্যপটপের ৪৩ ভাগ অকেজো হয়ে পড়েছে। তাছাড়া ২৮ ভাগ মাল্টিমিডিয়া নিষ্ক্রিয়। ফলে ব্যাহত হচ্ছে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান প্রক্রিয়া।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন করে এমনটি উল্লেখ করেছে আইএমইডি।

সমীক্ষার ফলাফলে বলা হয়েছে, ল্যপটপের গুণগত মান দীর্ঘ সময় ব্যবহারের উপযুক্ত নয় বলে এর ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন। প্রকল্পটি ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত ২৯৪ কোটি টাকায় বাস্তবায়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। বর্তমানে এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়ন চলছে। প্রথম পর্যায়ে মোট ২৩ হাজার ৩৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৬৪টি স্কুল, ২৪৭৫টি কলেজ, ৬৮৬ টি স্কুল এন্ড কলেজ এবং ৬৫০৬টি মাদ্রাসায় এই প্রকল্পটি বাস্তাবয়ন করা হয়েছে। যার প্রতিটিতে একটি করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এই প্রকল্পের তথ্য সংগ্রহ করে আইএমইডি। দৈব চয়নের ভিত্তিতে ১৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাক্ষাতও গ্রহণ করা হয়।

সম্প্রতি প্রকাশিত ওই সমীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পের ২৪ শতাংশ ল্যাপটপ পুরোপুরি বাতিল হয়ে গেছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট অবস্থায় আছে ১৪ শতাংশ ল্যাপটপ। আর নিম্নমানের কারণে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষে ব্যবহার করা যাচ্ছে না ১৫ শতাংশ ল্যাপটপ। এ ছাড়া প্রকল্পের ১৪ শতাংশ প্রজেক্টর নষ্ট হয়ে গেছে, অনুপযুক্ত প্রজেক্টর আছে ১৫ শতাংশ। আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পড়ে আছে ৬ শতাংশ প্রজেক্টর। বিতরণ করা মডেমের ৯ শতাংশ বাতিল হয়ে গেছে। প্রকল্পে নিম্নমানের ল্যাপটপ, প্রজেক্টর ও অন্যান্য উপকরণ প্রায় সবসময়ই মেরামতের কারণে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিবেদেনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকল্পের ৭৮ শতাংশ উপকরণ ১০ বার পর্যন্তও মেরামত করা হয়েছে।

আইএমইডির সমীক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, দেশি ব্র্যান্ড দোয়েলের মডেল-১৬১২৩, যা কোর আই-৩, ৪জিবি র‌্যাম, ৫০০জিবি এইচডিডি ও ৪ ঘন্টা ব্যটারি ব্যকআপ থাকবে এমন ল্যপটপ কেনার কথা ছিল। কিন্তু ক্রয় সংক্রান্ত পর্যাপ্ত নথি মূল্যায়নকালে পাওয়া যায়নি তাই এর মান যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে, মাউশির কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  তবে আইএমইডির কর্মকর্তারা জানান, সহজলভ্য উন্নত প্রযুক্তি ও ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম গড়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে গণিত, অর্থনীতি, বিজ্ঞান এবং ভাষা শিক্ষার মতো কঠিন বিষয় আয়ত্তে আনতে প্রযুক্তিগত শিক্ষা সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। এরই অংশ হিসেবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরবরাহ করা ল্যাপটপ ও প্রজেক্টরের মান ভালো নয় বলে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী মতামত দিয়েছে।

এসব যন্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রযুক্তিভিত্তিক ক্লাসের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করে ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। ডিজিটাল ক্লাসের কনটেন্ট ঘাটতিকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছে ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। প্রকল্পের সুফল না পাওয়ার জন্য ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী দায়ী করছে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবকে। অবশ্য সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ না থাকায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাস বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মত দিয়েছে ৮৪ থেকে ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী।

চ্যারিটি কনসার্টে ‘সিগারেট বিতরণ’ নিয়ে বিতর্ক, দুঃখ প্রকাশ …
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বৃদ্ধি
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে দিল্লি-দ্বিতীয় লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত?
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির ‘ত্যাগী কর্মী’ দাবি করায় সভায় হট্টগোল, ফেরার পথে পি…
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালুর দিকে যাচ্ছে ইরান
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
ব্যাংকারদের পোস্টাল ব্যালটের অ্যাপে নিবন্ধনের নির্দেশ
  • ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9