১ লাখ ৪০ হাজার টাকা তুলে দিতে ঘুস চাইলেন ৪০ হাজার

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ PM
চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছাত্তার

চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছাত্তার © সংগৃহীত ছবি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির উদ্দিনের প্রায় ১৩ বছর ধরে আটকে আছে এরিয়া বিল। দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও বিলের টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। সর্বশেষ বিলের কাজ করে দেওয়ার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছাত্তারের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষক।

মনির উদ্দিনের দাবি, তার পাওনা এরিয়া বিলের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর আগে তিনি লালমোহন উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে চরফ্যাশন উপজেলায় বদলি হয়ে আসেন। এরপর আটকে থাকা এরিয়া বিলের জন্য গত দুই বছর ধরে একাধিকবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেন।

প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করেন, বিলের কাজ করে দেওয়ার জন্য অফিস সহকারী ছাত্তার তার কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে বিলের কাগজপত্র সম্পূর্ণ করার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়। তবে একটি প্রত্যয়নে কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাকি থাকায় সেটি আনতে গেলে আবারও সমস্যায় পড়েন তিনি।

মনির উদ্দিনের অভিযোগ, ওই প্রত্যয়নে স্বাক্ষর করিয়ে দেওয়ার জন্যও ছাত্তার ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার কাছ থেকে এরিয়া বিলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও খাতা নিয়ে নেওয়া হয়। পরে তিনি যে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছিলেন, সেটিও ফেরত দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

মনির উদ্দিন বলেন, ছাত্তারের কাছে পুরো অফিস জিম্মি। সে কর্মকর্তার দালাল। টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না। আমার এরিয়া বিলের জন্য দুই বছর ধরে আমাকে ঘুরিয়েছে। পরে ছাত্তার বলে, ৪০ হাজার টাকা খরচ করলে এক লাখ টাকা পাবেন। আমি টাকা দিতে পারিনি। আমার কাছ থেকে বিলের সব কাগজপত্র নিয়ে নেয়। বিষয়টি তদন্ত করে আমার প্রাপ্য এরিয়া বিল দ্রুত পরিশোধের দাবি জানাই।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর ছাত্তার। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষককে বলা হয়েছে, তার বিলটি করে দেওয়া হবে। কিন্তু তার কাছ থেকে কোনো টাকা চাওয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ওই শিক্ষকের বিলের সব কাগজপত্রে স্বাক্ষর দেওয়া হয়েছে। ছাত্তারের বিষয়ে খবর নেব। যদি সে এটা করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘এইচএসসিতে সবচেয়ে ফেল আইসিটিতে, অনার্স পাস করা আইসিটি গ্র্য…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ে ৯ কলেজে শতভাগ ফেল
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
জিপিএ-৫ কমেছে ক্যাডেট কলেজেও, ১২ কলেজের কোনটির ফল কেমন
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসা বোর্ডে জিপিএ-৫ এ শীর্ষে দারুননাজাত
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ভবিষ্যতে মানুষ পরিচয় দেবে— ‘আমি কিন্তু বিএনপি আমলে পাস করেছ…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৩০ পরীক্ষার্থীর ১০০ জনই ফেল, নেই কোনো জিপিএ-৫, এইচএসসিতে ক…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬