কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম © টিডিসি ফটো
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্মৃতি খাতুন নামে এক কলেজছাত্রীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে সায়ন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। হামলায় স্মৃতির ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে তার বাবা সেলিম হোসেন ও মা রেবেকা খাতুনও গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মেহেরপুর শহরের লর্ড মার্কেট এলাকায় সেলিম হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত সায়ন শহরের মল্লিকপাড়া এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী আবু তালেবের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাকচালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সেলিম হোসেন, তার স্ত্রী রেবেকা খাতুন ও মেয়ে স্মৃতি খাতুন নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত দেড়টার দিকে সায়ন বাড়িতে প্রবেশ করে স্মৃতির ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। একপর্যায়ে কুপিয়ে স্মৃতির ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে দেয় বলে অভিযোগ।
স্মৃতির চিৎকার শুনে পাশের কক্ষ থেকে তার বাবা-মা ছুটে আসেন। এ সময় সায়ন তাদের ওপরও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে সায়ন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহত তিনজনকে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাদের মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সায়ন পলাতক রয়েছেন।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, অভিযুক্ত সায়নকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।