রংপুরে চার খুন

গণপতির ভাইয়ের মামলা, নেই গ্রেপ্তার হওয়া মুগ্ধ-সিদ্ধার্থের নাম

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৭:০৯ PM , আপডেট: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ PM
রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস

রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস © সংগৃহীত

রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে নিহত শিক্ষকের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন। তবে মামলার এজাহারে গ্রেপ্তার মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাসের নাম উল্লেখ করা হয়নি। যদিও এদিন ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের আটক করে পুলিশ। 

পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় আসামির সংখ্যা ও আসামি হিসেবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামিরা ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে। 

মামলার এজহারে গোপীনাথ চক্রবর্তী উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গণপতির স্ত্রী প্রীতিলতার মুঠোফোন থেকে গণপতির শ্যালিকা পূজা চক্রবর্তীর হোয়াটসঅ্যাপে কথা হয়। এরপর গণপতি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন শুক্রবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে প্রীতিলতা তাঁর ছোট বোন পূজা চক্রবর্তীকে ফোন করলেও কথা হয়নি। এর পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। 

এতে আরও বলা হয়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে পূজা চক্রবর্তী আবার বড় বোন প্রীতিলতাকে ফোন করেন। তখন পরিবারের চার সদস্যের মুঠোফোনই বন্ধ পান তিনি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তিনি তার স্বামী বিপুল আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শনিবার রাত সোয়া নয়টার দিকে বোন প্রীতিলতার বাড়িতে যান। বাড়িটি তখন অন্ধকার ছিল। ভেতর থেকেও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। তখন তাঁরা বোনের বাড়ি ঘেঁষে থাকা দেবুর বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। পরে পূজা চক্রবর্তী প্রতিবেশীর ওই বাড়ির ওপর দিয়ে ভগ্নিপতি গণপতির বাড়ির ছাদে যান। জানালার লক ভেঙে টর্চের আলো দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তিনি ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। একই সঙ্গে বাড়ির ভেতর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছিল।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২১ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিট থেকে ২২ আগস্ট সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোনো এক সময় অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তার ভাই ও পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেন। বাড়ির বিভিন্ন কক্ষে আলমারি, শোকেসসহ আসবাব, কাপড়চোপড় এলোমেলো ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ঘরের এই অবস্থা দেখে হত্যার পর ঘটনাটিকে অন্য কোনো ঘটনার মতো দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।

এজাহারে গোপীনাথ চক্রবর্তী আরও উল্লেখ করেন, স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি থানায় গিয়ে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মামলা করেন।

এ বিষয়ে গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, আমি খবর পেয়ে গ্রাম থেকে এসেছি। মামলা করেছি। আশা করি সঠিক তদন্ত করে তারা (পুলিশ) বের করবে কী হয়েছে। 

জানতে চাইলে রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, মামলা ডিটেক্ট হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মাছুয়াপাড়া গ্রামের মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে (১৯) আটক করা হয়। পরে তারা হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। মামলায় তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।।

পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য, গণপতিসহ নিহত ব্যক্তিরা আসামিদের চিনতেন। পরিচয় ফাঁস হওয়ার আশঙ্কায় পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়েছে।  

সেই শার্ট গায়ে চাপিয়েই সংবাদ সম্মেলনে এসে ব্যাখ্যা দিলেন পু…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
জামায়াত আমির-সম্পাদকদের বৈঠকে যা যা হলো
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধায় সার সংকট আতঙ্কে কৃষকের লম্বা লাইন
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীতে অস্ত্রসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ক্লাবিং, চাকরি, গবেষণা—সাকিবের অর্জনের ঝুলিতে এখন ১০ বিশ্বব…
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী-যুবলীগের বিক্ষোভের পর ময়মনসিংহে ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ২৭ …
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬