মিটফোর্ডকাণ্ডে রবিন

‘৮ দিন পর আমার পর্তুগালের ফ্লাইট, অলরেডি ২২ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছি’

১৩ জুলাই ২০২৫, ১০:৫৮ AM , আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৫, ১২:১১ PM
তারেক রহমান রবিন

তারেক রহমান রবিন © সংগৃহীত

পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর মেরে হত্যার ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই আসামি তারেক রহমান রবিন ও টিটন গাজী। শনিবার (১২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াসের আদালতে তারা জবানবন্দি দেন।

দুই দিনের রিমান্ড শেষে রবিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন জীবন। এ ঘটনায় রবিন পুলিশের করা অস্ত্র মামলার আসামি।

ঢাকার মহানগর হাকিম হাসিব উল্লাহ গিয়াস রবিনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালত থেকে বেরিয়ে আসার সময় সাংবাদিকদের রবিন বলেন, ‘আমি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না। আমি দোষী, সারা বাংলাদেশের মানুষ মানুষ জেনে গেছে। আর আট দিন পর আমার পর্তুগালের ফ্লাইট। বিদেশ যাওয়ার জন্য ২২ লাখ টাকা এ বাবদ খরচ হয়েছে।

রবিন আরও বলেন, ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের কারও সঙ্গে ‘সম্পর্ক নেই। আমি ফাইসা গেছি। ঘটনাস্থলে ছিলাম না। সন্দেহের কারণে আমাকে গ্রেপ্তার করেছে। আমার জীবনটা শেষ। আম্মু অসুস্থ হয়ে পড়েছে, ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে। আর কিছু বলতে চাই না।’

আরও পড়ুন: রাজধানীসহ সারাদেশে বিক্ষোভের ডাক ছাত্রদলের

অন্য আসামি টিটন গাজীকে সামনে ডেকে আনেন বিচারক। তার আইনজীবী আছেন কি না, তা জানতে চান। টিটন জানান, তার কোনো আইনজীবী নেই।

তার কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চাইলে টিটন গাজী আদালতকে বলেন, ‘যে ভিডিওটা ভাইরাল হয়েছে, মনোযোগ সহকারে দেখবেন। আমি কোনো আঘাত বা মারধর করিনি। ভিডিওতে দেখবেন, আমি পেস্ট কালারের গেঞ্জি পরা। আমার এ ঘটনায় কোনো ভূমিকা ছিল না। আমি কাউকে মারার হুকুম দিইনি। শুধু দাঁড়িয়ে ছিলাম।’

পরে আদালত টিটনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ৯ জুলাই বিকালে পুরার ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে পাথর মেরে হত্যা করা হয় ভাঙারি ব্যবসায়ী মো. সোহাগ ওরফে লাল চাঁদকে। পরে লাশের ওপর উঠে কয়েকজন লাফায়। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পাঁচজনকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছে বিএনপি।

এ ঘটনার পর চাঁদ সোহাগের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। আর পুলিশ বাদী হয়ে করেছে অস্ত্র মামলা।

এখন পর্যন্ত পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন আদালত। তারা হলেন, মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেক রহমান রবিন।

ছাত্রদলের চার কমিটি বিলুপ্ত
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
কুয়েট অধ্যাপকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বিতর্কিত ব্যক্তিকে চট্টগ্রাম বিসিএসআইআরের পরিচালক নিয়োগ, ২৪…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
এসএসসিতে ফেল করায় মায়ের বকুনি, নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল সীম…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
টুঙ্গিপাড়ায় চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
বেতন বন্ধ হতে পারে ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষকের
  • ১২ আগস্ট ২০২৬