ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ © সংগৃহীত
ইনিংসের ১৫তম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সাইম আইয়ুব। দুর্দান্ত লাইন-লেংথে বল করে ব্যাটারদের একপ্রকার চাপে ফেলেন তিনি। ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফেরান তিলক ভার্মাকে। ঠিক পরের বলেই আরও বড় আঘাত; আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দেন হার্দিক পান্ডিয়া, আর সহজ ক্যাচে পরিণত হয় সেটি। পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেন সাইম।
ক্রিজে তখন নতুন ব্যাটসম্যান শিবম দুবে। সাইমের চতুর্থ বলটিও ছিল সত্যিই চোখধাঁধানো। নিখুঁত গতি ও মুভমেন্টে ব্যাটসম্যানকে পুরোপুরি বিট করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে জোরালো আবেদন ওঠে। মাঠের আম্পায়ার বিষয়টি তৃতীয় আম্পায়ারের হাতে ছেড়ে দেন। রিপ্লে দেখে শেষ পর্যন্ত ‘নট আউট’ সিদ্ধান্ত আসে। পুরো ওভারজুড়ে চাপ ধরে রেখে মাত্র ২ রান খরচায় ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন তিনি।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সূর্য ১৮ বলে ২২ রানে সতর্কভাবে ব্যাট করছেন, আর নতুন নামা শিবম দুবে ৩ বলে ১ রান নিয়ে অপরাজিত।
এর আগে, কলম্বোর আর প্রেমাডাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান। নিজের ওপর আস্থা রেখে নতুন বল হাতে প্রথম ওভার করতে আসেন তিনিই। আর শুরুতেই আঘাত, ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মাকে শূন্য রানে ফেরান সালমান।
দ্বিতীয় উইকেটে তিলক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক চাপ সামাল দেন আরেক ওপেনার ইষাণ কিষাণ। এরপর থেকেই পাল্টা আক্রমণে নামেন তিনি। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ২৭ বলেই পূর্ণ করেন ফিফটি। সেঞ্চুরির সম্ভাবনাও জেগেছিল, তবে সাইম আইয়ুব সেই স্বপ্ন ভাঙেন। ৪০ বলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ৭৭ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে থামেন কিষাণ।