বেইলি রোডের সরকারি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়লেন শফিকুল আলম, ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট

০৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৭ AM
শফিকুল আলম

শফিকুল আলম © সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকালের বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’ এ কাটানো সময়ের নানা স্মৃতি ও অনুভূতি শেয়ার করেছেন শফিকুল আলম। শুক্রবার (৬ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই পোস্ট দেন তিনি। 

পোস্টের শুরুতেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব লেখেন, বিদায়, বেইলি রোড। তুমি আমার জীবনের এক রোমাঞ্চকর যাত্রার সাক্ষী হয়ে আছো। বেইলি রোডের 'মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট' ভবনের পঞ্চম তলায় থাকতাম আমি। যদিও তখন সেখানে কোনো মন্ত্রীরা থাকতেন না। ওই ভবনে থাকতেন কেবল বিচারপতি ও নির্বাচন কমিশনাররা। চারপাশটা খুবই শান্ত ও স্থির মনে হতো। সেখানে সকালটা শুরু হতো পাখিদের কিচিরমিচিরে। আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা।

তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর শাহীনবাগের নিজ বাসা ছেড়ে বেইলি রোডে ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এ বসবাসের মূল কারণ ছিল যমুনা’র কাছে থাকা। কারণ, যমুনা’য় অবস্থান করতেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের আঠারো মাসের অধিকাংশ সময় তিনি সেখান থেকেই দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করেছেন। বহুবার এমন হয়েছে- আমাকে রাতের খাবার ফেলে রেখে যমুনায় ছুটে যেতে হয়েছে- সংকট ব্যবস্থাপনা কাছ থেকে দেখার জন্য এবং সেই প্রচেষ্টার কথা মানুষকে জানানোর জন্য।

স্ট্যাটাসে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব লিখেন, ‘আমার বেইলি রোডের ফ্ল্যাট থেকে কয়েক গজ দূরেই ছিল ফরেন সার্ভিস একাডেমি। সেখানে আমি প্রায় ৩০০টি সংবাদ সম্মেলন করেছি এবং ঐকমত্য কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংলাপে অংশ নিয়েছি। এই জায়গার শান্ত পরিবেশ অনেক সময়ই ভেঙে গেছে উত্তাল বিক্ষোভে। তখন মনে হয়েছে, যেন আমাদের সবার জন্য এটাই শেষ। তবু কোনো এক রহস্যময় মোড়ে পরিস্থিতি বদলে যেত, আর বেইলি রোড আবার ফিরে পেত তার শান্ত সৌন্দর্য।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘আমার একমাত্র আক্ষেপ যে গত তেরো মাসে আমি রমনা পার্কে যথেষ্ট সময় নিয়ে যেতে পারিনি। এ ছাড়া অন্য মানুষদের মতো রমনায় সকালবেলার হাঁটাহাঁটি করা, কিংবা হাসি-আড্ডায় মেতে থাকা দলগুলোর সঙ্গেও যোগ দিতে পারিনি আমি। তবু আমি আর আমার স্ত্রী প্রায় প্রতিদিনই রাস্তার ধারে সকালে বসা অস্থায়ী বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতাম। যদিও সম্প্রতি কর্তৃপক্ষ সেই ছোট ছোট দোকানগুলো সরিয়ে দিয়েছে।

সবশেষে তিনি লেখেন, বিদায়, বেইলি রোড। তুমি উপর থেকে শান্ত ছিলে। কিন্তু ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে ছিলে।

প্রসঙ্গত, বার্তা সংস্থা এএফপির বাংলাদেশ ব্যুরোপ্রধান হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পান শফিকুল আলম। অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন শেষে তিনি পুনরায় তার পুরনো পেশা সাংবাদিকতায় ফিরে গেছেন। 

জানা গেছে, বর্তমানে তিনি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’ নামের একটি পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এক্সিকিউটিভ নিয়োগ দেবে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, আবেদন শেষ ২৩ এপ…
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামে বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় অভিযান: ৬ টন অবৈধ ডিজেল…
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে হংকংয়ের জাহাজ
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
এলএনজি নিয়ে এক সপ্তাহে আসছে ৩ ট্যাংকার, একটি দেশের জলসীমায়
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
একটি রড যেভাবে বহু মানুষের বাঁচার পথ বন্ধ করে দিল
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
দৌলতদিয়ায় বাস দুর্ঘটনা: বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত
  • ২৭ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence