পাবনায় বজ্রপাতে হতাহত পরিবারগুলোকে আর্থিক অনুদান দিল প্রশাসন

৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ AM
নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের অর্থ তুলে দেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। শুক্রবার রাতে পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের নলমুড়া গ্রামে

নিহতদের পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের অর্থ তুলে দেন জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম। শুক্রবার রাতে পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের নলমুড়া গ্রামে © টিডিসি

পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতিল বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত ও আহত পরিবারগুলোর হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম উপস্থিত থেকে অনুদানের অর্থ পরিবারগুলোর হাতে তুলে দেন।

নিহতহ ৬ জনের প্রত্যেক পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা এবং আহতের প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়া হয়। নিহতদের দাফন ও আহতদের জরুরি চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা হিসেবে এই টাকা দেওয়া হয়েছে।

অনুদান প্রদানের সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান, পাবনা প্রেক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা ও মালঞ্চি ইউপি চেয়ারম্যান কবির আহমেদ বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা জানান, উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের কয়েকজন সোনাপাতিল বিলে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় তারা পাশের একটি ছাউনিতে আশ্রয় নিলে সেখানে আকস্মিক বজ্রপাতে ৬ জন মারা যান। এ ঘটনায় ৩ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ইউএনও আরও জানান, নিহতদের বাড়ি গিয়ে প্রত্যেকের পরিবারকে দাফন ও জরুরি সহায়তা হিসেবে নগদ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আহত ৩ জনকে চিকিৎসার জন্য প্রত্যেক পরিবারের হাতে ২৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক স্যার নিজে উপস্থিত থেকে এ অনুদান তুলে দেন। এ ছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এ ব্যাপারে শোক জানানোর পাশাপাশি খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছেন। হতাহত পরিবারের আরও কোনো ধরনের সহায়তা প্রয়োজন হলে সেটিও দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে মালঞ্চি ইউনিয়নের গোপিনাথপুর এলাকার সোনাপাতিল বিলে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করতে যায় নয়জন কিশোর তরুণ। এ সময় বজ্রপাতে ৬ জন নিহত হন এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়ে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তারা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন উপজেলার নলমুড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে রব্বেল হোসেন (২২), শাহজাহান আলীর ছেলে মিজান আলী (১২), মনিরুল ইসলামের ছেলে সাজিদ হোসেন (১০), শাহাদত প্রামানিকের ছেলে আব্দুল্লাহ প্রামানিক (১৮), ইবাদুল হোসেনের ছেলে ইমন হোসেন (১৪) ও গঞ্জমতি গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে শাওন হোসেন (২২)।

রাজশাহী বোর্ডে ৩৯ কলেজে পাসের হার শূন্য, শতভাগ পাস ৯টিতে
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের কমেছে পাসের হার
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জান…
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা বোর্ডে পাশের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
যশোর বোর্ডে এইচএসসি-র ফলাফলে বিপর্যয়
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসিতে ১৩৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই পাস
  • ৩১ অক্টোবর ২০২৬