কক্সবাজারে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ডিএনএ পরীক্ষায় ১০ মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৯ PM , আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ PM
অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্ট

অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্ট © সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তাদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর কোনো ডিএনএর সঙ্গে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে এখনো তার সন্ধান না মেলায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের সদস্য রয়েছেন। একটি পরিবারের ছয়জন এবং অন্য পরিবারের চারজন।

এক পরিবারের চার সদস্য হলেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

অন্য পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫) ও ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), তাদের আরেক কাজিন ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।

নাফিস তেহামি জেরিফ' নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পপুলেশন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ সায়েন্সেস বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। লায়লা জাহান নাবিলা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুড়ে যাওয়া মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষা করে এবং আত্মীয়দের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে।

পরিচয় শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ জানান, আজ মঙ্গলবার মরদেহগুলো তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। 

অগ্নিকাণ্ডের পর উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হলেও নিখোঁজের তালিকায় থাকা আরও একজন নিখোঁজ নাসরিনের সন্ধান মেলেনি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমন ঘোষ বলেন, নিখোঁজ নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর নমুনার মিল পাওয়া যায়নি।

রিমন ঘোষ বলেন, ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছিল। তাদের ডিএনএ স্যাম্পলেই মিল পাওয়া গেছে। আরেকজনেরটা পাওয়া যায়নি।

মুক্তা ঢাকার উপকণ্ঠ সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে বেড়াতে কক্সবাজারে এসেছিলেন তিনি। তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা। তার বাবার নাম মোস্তফা কামাল।

অগ্নিকাণ্ডের পর প্রথমে রিসোর্ট থেকে ১০টি মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। ফলে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সংখ্যা ও নিখোঁজের হিসাবের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। মুক্তার ডিএনএ না মেলার তথ্য সেই প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

রাকসুর দায়িত্ব শেষ, শিক্ষার্থীদের ‘ওপেন প্রশ্নোত্তরে’ মুখোম…
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
‘কথা দিচ্ছি জীবনে কোনদিন মেয়েকে মাদ্রাসা-মসজিদ-মন্দিরের আশপ…
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ হলে ছাত্রদলের উদ্যোগে ডিপ ফ্রিজ বি…
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
সার্বিয়ায় দুর্ঘটনা থেকে গণ-আন্দোলন, ভুচিচের রাজনীতিতে বড় ধা…
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারের দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষে…
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির বয়স ৩৫ বছর করছে বার কাউন্সিল
  • ২৭ অক্টোবর ২০২৬