কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন © টিডিসি ফটো
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দুই বছর বয়সী শিশু সাহারা ইসলাম ছারার মৃত্যুর আড়াই মাস পর আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কলশী ফুকরা গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। এ সময় কাশিয়ানী থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সাহারা ইসলাম ছারা ওই গ্রামের সাগর খাকি ও মুক্তা বেগম দম্পতির মেয়ে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১১ আগস্ট দুপুর ১টার দিকে বাড়ির পূর্ব পাশে পানিতে শিশুটিকে চিৎ অবস্থায় ভাসতে দেখেন তার মা মুক্তা বেগম। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করেন। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটির পেটে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ কারণে তার মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।
শিশুটির বাবা সাগর খাকির ধারণা, তার মেয়েকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে গত ১৭ আগস্ট গোপালগঞ্জ আদালতে আবেদন করে পরিবার। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।
আরও দেখুন: ইউনিকো হাসপাতালে এক্সিকিউটিভ নিয়োগ, আবেদন করুন আজই
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শিশুটির মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।