রামিসার সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বাবা

২১ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ PM
রামিসার সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা

রামিসার সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা © সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসার নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শোকে স্তব্ধ তার পরিবার ও সহপাঠীরা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) মিরপুরের পপুলার মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে গিয়ে রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেই মেয়ের সহপাঠীদের দেখে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। একপর্যায়ে সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদতে থাকেন। বাবার কান্না দেখে সহপাঠীরাও কান্নায় ভেঙে পড়ে। পুরো শ্রেণিকক্ষে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কান্না করতে করতে রামিসার সহপাঠীরা বলে, রামিসাকে কখনোই ভোলা যাবে না। এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। খুনি যেন কোনোভাবেই পার না পায়।

এদিকে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে সারা দেশ। এমন জঘন্যতম নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। ‎বৃহস্পতিবার সকালে পল্লবীতে রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ করে সহপাঠী এবং এলাকাবাসী। এ সময় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান তারা।

এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এলাকাবাসী ও সহপাঠীরা পল্লবী থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে থানার ভেতরে ঢুকে পড়েন তারা। রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কারাগারে না রেখে দ্রুত বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা।

‎হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের মহিলা বিভাগ। এ সময় রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ফাঁসির কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি জানান বক্তারা।

রাজধানীর বাইরেও দেশের বিভন্ন এলাকায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে সর্বস্তরের মানুষ। রামিসার গ্রামের বাড়ি শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আজকের তারুণ্যের ব্যানারেও ‎‎অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি তোলা হয়।

প্রসঙ্গত,  গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা। 

রাকসুর ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাবিতে ছাত্রদলের বিক্…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
ভারত সিরিজ নিয়ে এখনো আলোচনা চলমান: তামিম
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
সরকারিভাবে চাকরির সুযোগ ব্রুনাইয়ে, পদ ১৭২, আবেদন ২৩ আগস্ট প…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ কাল
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষা চ্যারিটি নয়, নাগরিক অধিকার: স্বাস্থ্য…
  • ২০ আগস্ট ২০২৬